এ ব্যাপারে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফিরোজা পারভীন জানান, বিষয়টি আমি জেনেছি তা ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্কুলের প্রধান শিক্ষক নুরুল ইসলাম জানান, লাইব্রেরিয়ান ফারুক গত ২০১৮ ইংসালে বিদ্যালয়ে জনৈক একজন ছাত্রীর সাথে অনৈতিক ঘটনাকে কেন্দ্র করে কমিটির নেতৃবৃন্দ তাকে সাময়িক বরখাস্ত করেন। শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে একটা নির্দেশনা আসে শিক্ষকদেরকে ই এফ টি তে নাম পাঠাতে হবে, সেখানে ফারুকের নাম পাঠানোর চেষ্টা করলে বিষয়টি শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা জানতে পেয়ে আমাকে অবরুদ্ধ করে রাখে। পরে সেনাবাহিনীর সদস্যরা এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেন।শিক্ষার্থীরা জানান আমাদের স্কুলে কোন ধর্ষণকারী শিক্ষককে দেখতে চায় না। তাকে অবিলম্বে পদত্যাগ করে স্কুল ছেড়ে যেতে হবে।
এব্যাপারে অভিযুক্ত লাইব্রেরিয়ান ফারুকের সাথে কথা বললে তিনি জানান এ বিষয়ে আমার কোন বক্তব্য নাই।
Leave a Reply