1. admin@bogurapost.com : admin :
দুদককে চিঠি দেওয়ার বিষয়টি ভুলভাবে ব্যাখ্যা করা হচ্ছে: ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব - BoguraPost
রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৪৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বগুড়ায় ৪০০ একর জমিতে নতুন বিসিক শিল্পপার্ক স্থাপন করা হবে : বাণিজ্যমন্ত্রী বগুড়ায় শ্রমিকদলের বহিস্কৃত নেতা লিটন শেখ বাঘার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ ভিন্নমতকে সম্মান করাই গণতন্ত্রের অন্যতম ভিত্তি: মির্জা ফখরুল বগুড়ায় বাসচাপায় ৭ দিনমজুর নিহতের ঘটনায় তদন্ত কমিটি বগুড়া কানছগাড়ি বণিক সমিতির সভাপতি সেলিম সম্পাদক রকি নির্বাচিত চা শিল্পের সমস্যা সমাধানে সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর বগুড়া সিটি করপোরেশনের প্রথম ১৪১৭ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা জাতীয় সংসদে বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় বিল অনুমোদন: বগুড়া জেলা ছাত্রদলের আনন্দ মিছিল মামলাজট নিরসনে মধ্যস্থতা কার্যক্রম আশাব্যঞ্জক ফল দিচ্ছে : আইনমন্ত্রী বগুড়ায় ৭ দিনব্যাপী বৃক্ষরোপন অভিযান ও বৃক্ষ মেলা শুরু

দুদককে চিঠি দেওয়ার বিষয়টি ভুলভাবে ব্যাখ্যা করা হচ্ছে: ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব

  • আপডেট সময় : সোমবার, ৭ জুলাই, ২০২৫
  • ১৯৬ বার

বগুড়াপোস্ট ডেস্ক

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেছেন, বিটিসিএলের বিতর্কিত প্রকল্প চালিয়ে নিতে দুর্নীতি দমন কমিশনকে চিঠি দেওয়ার বিষয়টিকে ভুলভাবে ব্যাখ্যা করা হচ্ছে। ব্যক্তিস্বার্থে নয় দেশের স্বার্থেই দুদকের সহায়তা চাওয়া হয়েছে।

সোমবার (৭ জুলাই) বিকেলে রাজধানীর বেইলি রোডের ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।

ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, আমরা দেশের মানুষের জন্য যা ভালো তাই করছি। আমাদের মোরাল স্ট্রেন্থ এত বেশি, আমরা কাজ শেষ করেই তারপর যাব এবং আমরা সেই দৃঢ়তা নিয়েই কাজ করছি।

তিনি বলেন, বিটিসিএল ফাইবার নেটওয়ার্ক বর্ধিতকরণের যে প্রজেক্ট বিগত সরকারের আমলে নিয়েছে, যার টেন্ডার বিগত সরকারের আমলে হয়েছে, যা নিয়ে টেন্ডার প্রক্রিয়া প্রভাবিত করার কাজ হয়েছে এবং সেখানে যে একটা এলসিও করা হয়েছেলি। আমি এবং নাহিদ ইসলাম দায়িত্ব নেয়ার আগে সেই এলসির ২৯০ কোটি পরিশোধ করা হয়ে গেছে। এই সব কিছু আমলে নিয়ে আমরা দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়াম্যানের সঙ্গে কথা বলেছি। আমি নিজে ওনার অফিসে গেছি। বলেছি, যেহেতু ২৯০ কোটি টাকা চলে গেছে তাই প্রজেক্টটা চালিয়ে নেয়া যেতে পারে। আমরা একটা কমিটি করে দেব, এই কমিটির মাধ্যমে যে উন্নত যন্ত্রাংশগুলো দেওয়ার বিষয়ে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে সেগুলো যেন আসে কমিটির সদস্যরা তা নিশ্চিত করবে।

তিনি আরো বলেন, চিঠিতে মূলত আমার যুক্তিগুলো তুলে ধরি। যেহেতু বিটিসিএলের ক্যাপাসিটি সম্প্রসারণ দরকার। বিটিসিএল যদি এটা আপডেট না করে তাহলে দ্রুত তারা মার্কেট আউট হয়ে যেতে পারে। এখন যেহেতু তার প্রতিদ্বন্দ্বীরা তাদের ক্যাপাসিটি বাড়াচ্ছে, তাই বিটিসিএলের ক্যাপাসিটিও বাড়ানো দরকার।

ফয়েজ আহমদ বলেন, এটাকে অপব্যাখ্যা করা হয়েছে। আমি এবং আমার মন্ত্রণালয় কোন দুর্নীতিতে যুক্ত নেই। আমরা শুধু চিঠি আদান প্রদান করে মতামত প্রকাশ করেছি। দুদক চেয়ারম্যানকে কোন নির্দেশ দেইনি।

দয়া করে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2024 by Bogurapost
Theme Customized By BreakingNews