1. admin@bogurapost.com : admin :
বগুড়ায় বেড়ানোর কথা বলে হোটেলে স্ত্রী-সন্তানকে গলাকেটে হত্যা, স্বামী গ্রেফতার - BoguraPost
রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:২৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বগুড়ায় ৪০০ একর জমিতে নতুন বিসিক শিল্পপার্ক স্থাপন করা হবে : বাণিজ্যমন্ত্রী বগুড়ায় শ্রমিকদলের বহিস্কৃত নেতা লিটন শেখ বাঘার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ ভিন্নমতকে সম্মান করাই গণতন্ত্রের অন্যতম ভিত্তি: মির্জা ফখরুল বগুড়ায় বাসচাপায় ৭ দিনমজুর নিহতের ঘটনায় তদন্ত কমিটি বগুড়া কানছগাড়ি বণিক সমিতির সভাপতি সেলিম সম্পাদক রকি নির্বাচিত চা শিল্পের সমস্যা সমাধানে সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর বগুড়া সিটি করপোরেশনের প্রথম ১৪১৭ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা জাতীয় সংসদে বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় বিল অনুমোদন: বগুড়া জেলা ছাত্রদলের আনন্দ মিছিল মামলাজট নিরসনে মধ্যস্থতা কার্যক্রম আশাব্যঞ্জক ফল দিচ্ছে : আইনমন্ত্রী বগুড়ায় ৭ দিনব্যাপী বৃক্ষরোপন অভিযান ও বৃক্ষ মেলা শুরু

বগুড়ায় বেড়ানোর কথা বলে হোটেলে স্ত্রী-সন্তানকে গলাকেটে হত্যা, স্বামী গ্রেফতার

  • আপডেট সময় : রবিবার, ২ জুন, ২০২৪
  • ২৪২ বার
নিজস্ব প্রতিবেদক
বেড়ানোর কথা বলে বগুড়া শহরতলীর বনানী এলাকায় শুভেচ্ছা নামে একটি আবাসিক হোটেলে স্ত্রী ও ছেলেকে গলাকেটে হত্যা করেছে । নিহত মা আশামনি (২০), সন্তান আব্দুল্লাহ আল রাফি(১)।  হত্যার পর মায়ের মরদেহ হোটেলের বাথরুমের ভেতরে বিবস্ত্র অবস্থায় রেখেচিল। সন্তান রাফির মাথাবিহীন মরদেহ বস্তায় ভরে খাটের নিচে রেখেছিল। রবিবার বেলা ১১টার দিকে পুলিশ দুটি মরদেহ উদ্ধার করে।  শাজাহানপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি শহিদুল ইসলাম সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। জোড়া হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটনে একাধিক কারণ নিয়ে ভাবছে পুলিশ।
ওই জোড়া খুনের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ আজিজুর রহমান নামে এক সেনা সদস্যকে গ্রেফতার করেছে। আজিজুর রহমান নিহত আশামনির স্বামী। আজিজুর বগুড়া জেলার ধুনট উপজেলার কালেরপাড়া। নিহত শিশুর মাথার সন্ধানে পুলিশ তল্লাশী শুরু করেছে। সেনা সদস্য আজিজুল হক চট্টগ্রাম সেনানিবাসে কর্মরত।
নিহত আশামনির ভাই শহরের নারুলী এলাকার বাসিন্দা মেহেদি হাসান সনি জানান, সেনা সদস্য আজিজুর রহমানের সাথে প্রায় ৩ বছর আগে তার বোনের বিয়ে হয়। দুই মাসের ছুটি নিয়ে সে কিছুদিন আগে বগুড়ায় আসে। এরপর তার ভগ্নিপতি আজিজুর রহমান  গত বৃহস্পতিবার শহরের নারুলি এলাকায় শ্বশুর বাড়িতে বেড়াতে আসে। তিনি বলেন বেড়ানোর কথা বলে আজিজুর রহমান  তার বোন ও ভাগ্নেকে নিয়ে শনিবার বেড়িয়ে পড়ে।
শুভেচ্ছা হোটেলের ব্যবস্থাপক রবিউল ইসলাম জানান, শনিবার সন্ধ্যার পর আজিজুর রহমান  তার স্ত্রী ও এক বছর বয়সী সন্তানকে নিয়ে দোতলার একটি কক্ষে ওঠেন। এরপর রাত ১১টার দিকে তিনি হোটেল থেকে বের হয়ে যান।
তিনি আরও বলেন, আজ রবিবার সকাল ১১টার দিকে আজিজুল হক হোটেলে কক্ষের ভাড়া পরিশোধ করতে আসেন। কিন্তু তখন তার সঙ্গে স্ত্রী ও সন্তান না থাকায় আমাদের সন্দেহ হয়। এরপর আমরা তাকে আটক করে পুলিশে খবর দিই। পরে পুলিশ এসে ওই কক্ষের ভেতরে আজিজুল হকের স্ত্রীর গলকাটা বিবস্ত্র লাশ এবং বাথরুমে বস্তাবন্দী মাথাবিহীন সন্তানের মরদেহ  দেখতে পান।
শাজাহানপুর থানার ওসি শহিদুল ইসলাম জানান, সেনা সদস্য আজিজুর রহমান হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেছেন। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তার দাবি সে তার সন্তানের মাথা পাশের করতোয়া নদীকে ফেলে দিয়েছে। নিহত শিশুর মাথা খোঁজা হচ্ছে। জোড়া হত্যাকান্ডে মামলা দায়ের করা হবে। সেই মামলায় আজিজুর রহমানকে গ্রেফতার দেখানো হবে। হত্যার রহস্য উদঘাটনে আজিজুর রহমানকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। তাহলে জোড়া হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটন করা সম্ভব হবে।
নিহত আশামনির ভাই মেহেদি হাসান জানান, তার বোনের সাথে ভগ্নিপতি আজিজুর রহমানের দাম্পত্য কলহ ছিল। তার ধারণা দাম্পত্য কলহের কারণেই তার বোন ও ভাগ্নেকে হত্যা করেছে।
তিনি আরও বলেন, বিয়ের সময় তারা ভগ্নিপতিকে মোটা অংকের টাকা যৌতুক হিসেবে দিয়েছিলেন। কিন্তু তার পরেও তিনি নানা অজুহাতে টাকা চাইতেন সেনা সদস্য আজিজুর রহমান।

দয়া করে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2024 by Bogurapost
Theme Customized By BreakingNews