বগুড়াপোস্ট ডেস্ক
রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আনুষ্ঠানিকভাবে স্টারলিংকের যাত্রা শুরু হওয়ার প্রেক্ষিতে প্রেস ব্রিফিং করেন প্রধান উপদেষ্টার তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব
প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেছেন, স্টারলিংকের মাধ্যমে দেশের সার্বভৌমত্বে কোনো হুমকি নেই। সেবা দিতে হলে তাদের লোকাল গেটওয়ে ব্যবহার করতেই হবে। ফলে তথ্য নিরাপত্তা ও নিয়ন্ত্রণ থাকবে বাংলাদেশের হাতেই।
মঙ্গলবার ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে স্টারলিংক নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
ফয়েজ আহমদ বলেন, সেবায় কোনো ডেটা লিমিটেশন থাকবে না, ব্যবহারকারীরা পাবেন পুরোপুরি আনলিমিটেড ডেটা। একইসঙ্গে ২০-৩০ মিটার এলাকাজুড়ে এমনকি ২-৩ তলা বিশিষ্ট ভবনের ২-৩টি কক্ষেও সিগন্যাল কভার করবে স্টারলিংকের ইন্টারনেট।
তিনি বলেন, স্টারলিংকের এই সেবা উদ্যোক্তাবান্ধব এবং কোনো ধরনের ব্যান্ডউইথ বৈষম্য থাকবে না। দেশের প্রযুক্তি খাতে এক নতুন দিগন্তের সূচনা করবে এটি। এছাড়া, বাংলাদেশের নিজস্ব ব্রডব্যান্ড প্রকল্প যেমন চাইনিজ কোম্পানির সঙ্গে টেকসই ইন্টারনেট উন্নয়ন পরিকল্পনাও চালু থাকবে। স্টারলিংকের কারণে সেগুলো বাধাগ্রস্ত হবে না। প্রাথমিকভাবে ৭ হাজার টাকায় ডিভাইস সরবরাহের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, স্টারলিংক বাংলাদেশে যাত্রা শুরু করেছে, যা সাফল্যের নির্দেশনা প্রকাশ করে। প্রথমত, ৯০ দিন আগে বাংলাদেশে কোনো এনজিএসও লাইসেন্স ছিল না। এই ৯০ দিনের মধ্যে রেকর্ড সংখ্যক দ্রুত সময়ের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ একটা এনজিএসও গাইডলাইন করেছে এবং সেটির অনুকূলে একটা অপারেটর স্যাটেলাইট ইন্টারনেট অপারেটর আবেদন করেছে। সেই আবেদনটাও প্রসেস করে মাত্র চার মাস ফেব্রুয়ারি থেকে মে এর মধ্যে এটা কমার্শিয়াল যাত্রা শুরু করতে পেরেছে। বাংলাদেশের ইতিহাসে এই ধরনের টেলিকমিউনিকেশন লাইসেন্সের রোল আউটের ইতিহাসের প্রথম ও অনন্য ঘটনা।
Leave a Reply