1. admin@bogurapost.com : admin :
এক জালে ধরা পড়ল ১২০ মণ কোরাল, দাম ৩১ লাখ টাকা  - BoguraPost
রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বগুড়ায় ৪০০ একর জমিতে নতুন বিসিক শিল্পপার্ক স্থাপন করা হবে : বাণিজ্যমন্ত্রী বগুড়ায় শ্রমিকদলের বহিস্কৃত নেতা লিটন শেখ বাঘার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ ভিন্নমতকে সম্মান করাই গণতন্ত্রের অন্যতম ভিত্তি: মির্জা ফখরুল বগুড়ায় বাসচাপায় ৭ দিনমজুর নিহতের ঘটনায় তদন্ত কমিটি বগুড়া কানছগাড়ি বণিক সমিতির সভাপতি সেলিম সম্পাদক রকি নির্বাচিত চা শিল্পের সমস্যা সমাধানে সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর বগুড়া সিটি করপোরেশনের প্রথম ১৪১৭ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা জাতীয় সংসদে বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় বিল অনুমোদন: বগুড়া জেলা ছাত্রদলের আনন্দ মিছিল মামলাজট নিরসনে মধ্যস্থতা কার্যক্রম আশাব্যঞ্জক ফল দিচ্ছে : আইনমন্ত্রী বগুড়ায় ৭ দিনব্যাপী বৃক্ষরোপন অভিযান ও বৃক্ষ মেলা শুরু

এক জালে ধরা পড়ল ১২০ মণ কোরাল, দাম ৩১ লাখ টাকা 

  • আপডেট সময় : বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১৫৩ বার

কক্সবাজার প্রতিনিধি

 

কক্সবাজারের টেকনাফ পৌরসভার একটি ট্রলারের জালে ধরা পড়েছে ১ হাজার ১০০টি লাল কোরাল। ট্রলার মালিকের দাবি, মাছগুলোর মোট ওজন প্রায় ১২০ মণ। ঘাটে ভেড়ার পর মণপ্রতি ২৬ হাজার টাকা দরে বিক্রি হওয়ায় আনুমানিক ৩১ লাখ টাকার লেনদেন হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সেন্ট মার্টিন দ্বীপের দক্ষিণ-পশ্চিমে বঙ্গোপসাগর এলাকায় মাছগুলো ধরা পড়ে। মঙ্গলবার রাত ১২টার দিকে ট্রলারটি টেকনাফ পৌরসভার কাইয়ুখ খালী ঘাটে পৌঁছালে ক্রেতাদের মধ্যে কেনার প্রতিযোগিতা শুরু হয়। প্রথমে জেলেরা ৪৫ লাখ টাকা দাম হাঁকলেও পরে মণপ্রতি ২৬ হাজার টাকায় বিক্রির বিষয়ে সমঝোতা হয়। এখনও পুরো ওজন শেষ হয়নি বলে জানা গেছে। ট্রলারটির মালিক মোহাম্মদ মিজান ও হারুন।

মাঝি রহমত উল্লাহ জানান, আরাকান আর্মির ভয়ে সপ্তাহখানেক সাগরে যাওয়া হয়নি। শনিবার মাছ ধরতে গিয়ে মঙ্গলবার বিকেলে জাল তোলার সময় বিপুল পরিমাণ কোরাল ধরা পড়ে। প্রতিটি মাছের ওজন পাঁচ থেকে ছয় কেজির মধ্যে। ১৭ জন মাঝিমাল্লা নিয়ে ট্রলারটি গভীর সাগরে যায় বলে জানান মালিক।

ট্রলার মালিক মোহাম্মদ মিজান বলেন, জেলেদের অংশ হিসেবে ১০০টি মাছ রাখা হয়েছে। বাকি প্রায় ১০০০টির মতো বিক্রি করা হচ্ছে। মণপ্রতি ২৬ হাজার টাকা হিসেবে প্রতি কেজি আনুমানিক ৬৫০ টাকায় দর ঠিক হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে সাগরে মাছের আকাল থাকায় এ চালানে জেলেদের ঘাটতি কিছুটা পুষিয়ে যাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

মাছ ব্যবসায়ী রশিদ আহমেদ বলেন, এখনো ওজন শেষ হয়নি, তবে ধারণা করা হচ্ছে মোট ১২০ মণ হবে। সে হিসেবে প্রায় ৩১ লাখ ২০ হাজার টাকা পরিশোধ করতে হবে। রমজান সামনে থাকায় বাজারে সামুদ্রিক মাছের চাহিদা বেড়েছে, বিশেষ করে লাল কোরালের।

স্থানীয় জেলেরা জানান, লাল কোরাল সাধারণত গভীর সাগরে পাওয়া যায়। শীত মৌসুমে সেন্টমার্টিনের প্রবাল এলাকায় ঝাঁক বেঁধে চলাচল করে। পাথর ও প্রবালের কারণে সেখানে জাল ফেলা ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় অনেকেই বড়শি ব্যবহার করেন।

টেকনাফ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা উমুল ফারা বেগম তাজকিরা বলেন, লাল কোরাল সুস্বাদু ও পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ একটি মাছ। এটি ভেটকির প্রজাতিভুক্ত (Lates Calcarifer) এবং সর্বোচ্চ প্রায় ৯ কেজি পর্যন্ত হতে পারে। এতে প্রোটিন, ভিটামিন বি–১২, ভিটামিন ডি ও ওমেগা–৩ রয়েছে, যা হৃদ্‌স্বাস্থ্য ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার জন্য উপকারী। ধরা পড়া মাছের একটি অংশ কক্সবাজারে এবং বাকিটা ঢাকায় পাঠানো হবে বলে ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন।

দয়া করে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2024 by Bogurapost
Theme Customized By BreakingNews