1. admin@bogurapost.com : admin :
বগুড়ার বুজর্গধামা স্কুলের গাছ থেকে আম পারায় ৩ শিক্ষার্থীকে জুতার মালা পরানোয় শিক্ষিকাকে শোকজ - BoguraPost
রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বগুড়ায় ৪০০ একর জমিতে নতুন বিসিক শিল্পপার্ক স্থাপন করা হবে : বাণিজ্যমন্ত্রী বগুড়ায় শ্রমিকদলের বহিস্কৃত নেতা লিটন শেখ বাঘার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ ভিন্নমতকে সম্মান করাই গণতন্ত্রের অন্যতম ভিত্তি: মির্জা ফখরুল বগুড়ায় বাসচাপায় ৭ দিনমজুর নিহতের ঘটনায় তদন্ত কমিটি বগুড়া কানছগাড়ি বণিক সমিতির সভাপতি সেলিম সম্পাদক রকি নির্বাচিত চা শিল্পের সমস্যা সমাধানে সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর বগুড়া সিটি করপোরেশনের প্রথম ১৪১৭ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা জাতীয় সংসদে বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় বিল অনুমোদন: বগুড়া জেলা ছাত্রদলের আনন্দ মিছিল মামলাজট নিরসনে মধ্যস্থতা কার্যক্রম আশাব্যঞ্জক ফল দিচ্ছে : আইনমন্ত্রী বগুড়ায় ৭ দিনব্যাপী বৃক্ষরোপন অভিযান ও বৃক্ষ মেলা শুরু

বগুড়ার বুজর্গধামা স্কুলের গাছ থেকে আম পারায় ৩ শিক্ষার্থীকে জুতার মালা পরানোয় শিক্ষিকাকে শোকজ

  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬
  • ২৩২ বার

নিজস্ব প্রতিবেদক 

বগুড়া সদর উপজেলার বুজর্গধামা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তিন শিশু শিক্ষার্থীকে গাছ থেকে আম পেড়ে খাওয়ার অপরাধে বেত্রাঘাত ও গলায় জুতার মালা পরিয়ে ‘আমচোর’ লিখে ক্লাসে ক্লাসে ঘোরানোর ঘটনায় অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষিকা গোল শাহানারার বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণ শুরু হয়েছে। তীব্র সমালোচনার মুখে অভিযুক্ত ওই শিক্ষিকা ক্ষমা চাইলেও তাকে শোকজ করা হয়েছে।

এদিকে গতকাল সোমবার বিকেলে জলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রেজোয়ান হোসেন সদর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা গোলাম কবীরকে বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে মতামতসহ তিনদিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা বলেছেন।

জানা গেছে, সদর উপজেলার বুজর্গধামা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে থাকা আমগাছ থেকে গত ২৮ এপ্রিল মঙ্গলবার কয়েকজন শিক্ষার্থী আম পেড়ে খায়। এ ঘটনায় পরদিন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা গোল শাহানারা বেগম ওই তিন শিক্ষার্থীকে ডেকে নেন। তিনি তাদের প্রত্যেককে বেত্রাঘাত করেন এবং পরে পায়ের স্যান্ডেল খুলে গলায় মালার মতো পরিয়ে “আমচোর” লিখে বিভিন্ন শ্রেণিকক্ষে ঘোরান।

পরবর্তীতে ঘটনাটি অভিভাবকদের মাধ্যমে এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে ফুঁসে ওঠে এলাকাবাসী। ব্যাপক ক্ষোভ ও তোপের মুখে গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে প্রধান শিক্ষিকা তার আচরণের জন্য শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকাবাসীর কাছে ক্ষমা চান। তবে ক্ষমা প্রার্থনার পরও ঘটনাটি নিয়ে অসন্তোষ রয়ে গেছে স্থানীয়দের মধ্যে। তারা এ ধরনের আচরণের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

তবে কোমলমতি শিশুদের ওপর এমন বর্বরোচিত মানসিক ও শারীরিক নির্যাতনের ঘটনায় শুধু ক্ষমা চেয়েই শেষ রক্ষা হয়নি তার। ৩ মে (রোববার) সদর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা গোলাম কবীর অভিযুক্ত শিক্ষিকাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) প্রদান করেন। সর্বশেষ গতকাল ৪ মে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রেজোয়ান হোসেন সদর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত করতে নির্দেশ দিয়েছেন।

সদর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা গোলাম কবীরকে আগামী তিন কর্ম দিনের মধ্যে সরেজমিনে তদন্ত করে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রেজোয়ান হোসেন জানান, তদন্তে ঘটনার সত্যতা উঠে আসার সঙ্গে সঙ্গে দোষের প্রকৃতির ওপর বিবেচনা করে প্রধান শিক্ষিকাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হতে পারে। একই সঙ্গে সরকারি কর্মচারী বিধিমালা অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে একটি নিয়মিত বিভাগীয় মামলা দায়েরও করা হতে পারে।

 

দয়া করে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2024 by Bogurapost
Theme Customized By BreakingNews