নিজস্ব প্রতিবেদক
বগুড়ার জাহেদুর রহমান মহিলা ডিগ্রি কলেজে একাদশ শ্রেনির শিক্ষার্থভদের নবীনবরণ অনুষ্ঠান আনন্দঘন পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) কলেজ প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বগুড়া জেলা বিএনপির সভাপতি ও গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মো. রেজাউল করিম বাদশা এমপি।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি নারী শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, “মা ও বোনেরা শিক্ষিত হলে সমাজ তথা পুরো জাতিকে শিক্ষিত করা সম্ভব। তাই প্রতিটি নারীকে সুশিক্ষায় শিক্ষিত হতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, নারী শিক্ষার প্রসারে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া প্রথম মেয়েদের বিনা বেতনে লেখাপড়ার ব্যবস্থা করেছিলেন। নারীদের শিক্ষা ও ক্ষমতায়নের মাধ্যমেই কেবল একটি সমৃদ্ধ ও শিক্ষিত জাতি গঠন করা সম্ভব।
শিক্ষা খাতের নানা অগ্রগতির কথা উল্লেখ করে রেজাউল করিম বাদশা বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে শিক্ষা খাতে সর্বোচ্চ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে পরিবারগুলোকে সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। তিনি বলেন, বর্তমানে নারীরা মন্ত্রী, সচিব, জেলা প্রশাসক (ডিসি), পুলিশ সুপার (এসপি) ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হিসেবে কৃতিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া সারা দেশে নতুন করে ৮০ হাজার নারী নার্স নিয়োগ দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
রাজনীতির প্রসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, বিগত ১৭ বছর বিএনপির নেতা-কর্মীরা নানা জেল-জুলুম ও নির্যাতন সহ্য করেও দেশে অবস্থান করেছেন। আগামী পাঁচ বছরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশকে উন্নয়নের পথে অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যাবেন উল্লেখ করে এ লক্ষ্য অর্জনে সরকারকে সহযোগিতা করার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
বক্তব্য শেষে জাহেদুর রহমান মহিলা ডিগ্রি কলেজটিকে সরকারি করার বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন প্রধান অতিথি।
কলেজ পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ও জেলা যুবদলের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কলেজের অধ্যক্ষ মাহবুব আলম।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জেলা পরিষদের প্রশাসক আহসানুল তৈয়ব জাকির, নুনগোলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ সুলতান মাহমুদ, বগুড়া জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আবু হাসান, ১৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আব্দুল মান্নান এবং সাধারণ সম্পাদক ইমদাদুল হক মিলন, বিএনপি নেতা মাহফুজার রহমান মাফু প্রমুখ।
এ সময় কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীবৃন্দ এবং স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।শেষে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
Leave a Reply