সরকার পতনের পর আনন্দমিছিলে বগুড়ার সোনাতলায় স্কুলছাত্র সাব্বির নিহতের ঘটনায় স্থানীয় ১ আসনের
সাবেক এমপিসহ ২০জনের নামে মামলা দায়ের করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে সাব্বিরের বাবা শাহীন আলম বাদী হয়ে সোনাতলা থানায় মামলাটি করেন। এ মামলায় আরও ৩০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে। মামলায় হত্যার নির্দেশদাতা উল্লেখ করে বগুড়া-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সাহাদারা মান্নানকে আসামি করা হয়। শুক্রবার রাতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বগুড়া সোনাতলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি বাবু কুমার সাহা।
গত ৫ আগস্ট বিকেলে সোনাতলা উপজেলার দিগদাইড় ইউনিয়নের শিহিপুরে আনন্দমিছিলে হামলায় স্কুলছাত্র সাব্বির নিহত হয়। সে গাবতলী উপজেলার সুখানপুকুর ইউনিয়নের তেলিহাটা গ্রামের শাহীন আলমের ছেলে। সাব্বির গাবতলীর সুখানপুকুর বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের কারিগরি শাখার নবম শ্রেণির ছাত্র ছিল।
মামলার উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন, সাহাদারা মান্নানের ছোট ভাই সোনাতলা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এ্যাড. মিনহাদুজ্জামান লীটন, সাহাদারার ছেলে সারিয়াকান্দি উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন, সোনাতলা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নবীন আনোয়ার, দিগদাইড় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি নিরঞ্জন চন্দ্র রায়, দিগদাইড় ইউনিয়ন যুবলীগের আহ্বায়ক আরিফুর রহমান, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও গাবতলীর সুখানপুকুর নতুনপাড়ার বাসিন্দা সাহানুর ইসলাম সাকিল।
মামলার সংক্ষিপ্ত এজাহারে উল্লেখ করা হয়, শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে দেশ ছাড়ার পর ৫ আগস্ট বিকেলে এলাকায় আনন্দমিছিল বের করা হয়। দিগদাইড় ইউনিয়নের শিহিপাড়ায় ছাত্র-জনতার আনন্দমিছিলে হামলা হয়। এ সময় আনন্দমিছিলে যোগ দেওয়া স্কুলছাত্র সাব্বির হোসেনকে কুপিয়ে হত্যা করেন আসামিরা।
সোনাতলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি বাবু কুমার সাহা বলেন, এখন পর্যন্ত এ মামলায় কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি। আসামিরা আত্মগোপনে আছেন। অভিযুক্তদেরগ্রেপ্তারের অভিযান চলছে।
Leave a Reply