নিজস্ব প্রতিবেদক
বগুড়া জেলাে শিবগঞ্জ উপজেলা সিন্দিপুরের মৃত আব্দুল লতিফের ছেলে মোঃ দেলোয়ার হোসেন বোনের বিরুদ্ধে পাল্টা সংবাদ সন্মেলন করেছেন। শনিবার দুপুরে বগুড়া প্রেসক্লাবে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
লিখিত বক্তব্যে সংবাদ সম্মেলনে দেলোয়ার হোসেন বলেন, গত ৩০ শে এপ্রিল শিবগঞ্জ উপজেলার কুলিবাজিত গ্রামের অধিবাসী ও সৈয়দপুর ইউনিয়নের মহিলা আ’লীগের সভানেত্রী মামলাবাজ নারগিছ আক্তার সংবাদ সম্মেলনে যে বক্তব্য প্রদান করেছে আমি তার বক্তব্য’র তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। আসলে এই সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে পিতৃহারা নিজের মেয়েকে।
সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করা ও ব্যাংক ব্যালেন্স এর টাকা আত্মসাৎ করা সহ নিজের কুকীর্তি আড়াল করতেই এ মিথ্যা সংবাদ সম্মেলন করেছে আ’লীগ নেত্রী নারগিছ। এই নারগিছ আ’লীগ নেত্রী হওয়ায় সে অত্র এলাকায় প্রভাব বিচ্ছুর করে নিরীহ মানুষদের মামলা দিয়ে বিভিন্নভাবে হয়রানী করতো। এমনকি এ তালিকায় তার নিজের ভাই ভাবী দেবর সহ নিকটাত্মীয়রাও বাদ যায়নি। এছাড়াও তার স্বামী মারা যাওয়ার পর থেকে সে গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ থানার সাহাপুর (তারাকোনা) গ্রামের আব্দুস সাত্তারের পুত্র সুজনের সাথে অবৈধ সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে। আর এসব অপকর্ম নির্বিঘ্নে করতে ২বছর আগে তার অপ্রাপ্ত বয়স্ক মেয়ে শারমিন আক্তারকে মেয়ের অমতে একজন বয়স্ক ব্যক্তির সাথে জোড়পূর্বক বিবাহ দেয়। কিন্তু এই মেয়েটি কিছুদিন সংসার করার পরে বাবার বাড়ি এসে আর যেতে না চাইলে তার মা মেয়েটিকে নির্যাতন চালাতে থাকে। নির্যাতন সইতে না পেরে পরবর্তীতে শারমিন আমার ছেলের সাথে পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করে। তারপর থেকেই সে একের পর একে মিথ্যা মামলা করে হয়রানী করে যাচ্ছে। প্রিয় ভাইয়েরা বলতে দ্বিধা হয় যে, এই নারগিছ আমার আপন সহোদার বোন, আমরা একই মায়ের সন্তান হওয়া সত্ত্বেও শুধুমাত্র হয়রানী করার উদ্দেশ্যে আমার ও পরিবারের লোকজনের নামে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে ১টি এবং ২টি মিথ্যা চুরির মামলা প্রদান করে। কিন্তু তার এহেন কাজকর্মে আমার বোন হিসেবে পরিচয় দিতে লজ্জা হয়। প্রিয় সাংবাদিক ভাইয়েরা আমার উপরে তার শত্রুতার আরো একটি বড় কারন হলো সে আমার কাছে ৩ বিঘা জমি বন্ধকী রেখে ৫লক্ষ টাকা নিয়ে সেই জমি আমাকে চাষাবাদ করতে না দিয়ে জমিগুলো বিক্রয় করে দেয়। যদিও সেই জমির মালিকানা ছিলো তারই আপন মেয়ে শারমিন আকতার। এখন পর্যন্ত আমাকে একটি টাকাও ফেরত দেয়নি। কিন্তু। পবিআই এর কাছে নারগিছ ১লক্ষ ৫০ হাজার টাকার কথা স্বীকার করেছে।
এত কিছুর পরেও বাররংবার আপোষ মীমাংসার চেষ্টা করি। ফলশ্রুতিতে সে নিজে তার মেয়ে শারমিনকে আমার হাতে তুলে দিয়ে যায়। যার প্রমান আমার হাতে আছে। এখন মেয়ে শারমিনকে তার বাবার সকল সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করতে ও টাকা পয়সার ভাগ নাদিতে এবং আমার ৫ লক্ষ টাকা ফেরত না দেওয়ার জন্য সে মিথ্যা ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। আমি আপনাদের মাধ্যমে প্রশাসনের কাছে সঠিক বিচার দাবি করছি। এবং সেই সাথে সকল মিথ্যা মামলা তদন্তপূর্বক প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছি।
Leave a Reply