1. admin@bogurapost.com : admin :
নাটোরে সড়ক দুর্ঘটনা : স্ত্রী ও দুই মেয়েকে হারিয়ে বাকরুদ্ধ বৃদ্ধ মোহাম্মদ মোল্লা - BoguraPost
রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:১২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বগুড়ায় ৪০০ একর জমিতে নতুন বিসিক শিল্পপার্ক স্থাপন করা হবে : বাণিজ্যমন্ত্রী বগুড়ায় শ্রমিকদলের বহিস্কৃত নেতা লিটন শেখ বাঘার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ ভিন্নমতকে সম্মান করাই গণতন্ত্রের অন্যতম ভিত্তি: মির্জা ফখরুল বগুড়ায় বাসচাপায় ৭ দিনমজুর নিহতের ঘটনায় তদন্ত কমিটি বগুড়া কানছগাড়ি বণিক সমিতির সভাপতি সেলিম সম্পাদক রকি নির্বাচিত চা শিল্পের সমস্যা সমাধানে সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর বগুড়া সিটি করপোরেশনের প্রথম ১৪১৭ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা জাতীয় সংসদে বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় বিল অনুমোদন: বগুড়া জেলা ছাত্রদলের আনন্দ মিছিল মামলাজট নিরসনে মধ্যস্থতা কার্যক্রম আশাব্যঞ্জক ফল দিচ্ছে : আইনমন্ত্রী বগুড়ায় ৭ দিনব্যাপী বৃক্ষরোপন অভিযান ও বৃক্ষ মেলা শুরু

নাটোরে সড়ক দুর্ঘটনা : স্ত্রী ও দুই মেয়েকে হারিয়ে বাকরুদ্ধ বৃদ্ধ মোহাম্মদ মোল্লা

  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ২৪ জুলাই, ২০২৫
  • ২৫২ বার

মেহেরপুর প্রতিনিধি

নাটোরে ট্রাক ও মাইক্রোবাসের সংঘর্ষে নিহত হয় ৮ জন। এদের মধ্যে মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার বেতবাড়িয়া গ্রামের মোহাম্মদ মোল্লার স্ত্রী আঞ্জুয়ারা ও তার দুই মেয়ে সিমা খাতুন ও শেলি খাতুনও ছিলেন। সঙ্গে শেলি খাতুনের স্বামী জাহিদুল ইসলামও নিহত হন। বৈবাহিক সূত্রে নিহত শেলি খাতুনের বাড়ি কুষ্টিয়া দৌলতপুর উপজেলার ধর্মদাহ গ্রামে হলেও তার জন্ম ও বেড়ে ওঠা মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার বেতবাড়িয়া গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের মোহাম্মদ মোল্লার বড় মেয়ে। ছোট মেয়ে সিমা খাতুনের বিয়ে হয়েছে গাংনীর ভোলারদাড় গ্রামে।

গতকাল বুধবার (২৩ জুলাই) সকালে তারা সবাই সিরাজগঞ্জে তাদের চাচাতো ভাইয়ের অসুস্থ ছেলেকে দেখতে যাচ্ছিলেন। পথে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় ৮ জন নিহত হন।

একসঙ্গে স্ত্রী, দুই মেয়ে ও জামাতাকে হারিয়ে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন মোহাম্মদ মোল্লা। ক্ষনে ক্ষনে হু হু করে কেঁদে উঠছেন ৯০ বছরের এই বৃদ্ধ। সান্ত্বনা দেওয়ারও যেন মানুষ নেই।

মোহাম্মদ মোল্লা বলেন, পাঁচ বছর আগে আমার স্ট্রোকজনিত কারনে এক পাশ অবশ হয়ে যায়। সেই থেকে আমাকে সেবা যত্ন করে আমাকে বাঁচিয়ে রেখেছিল আমার স্ত্রী আঞ্জুয়ারা। আর প্রতি সপ্তাহে আমাকে এসে দেখে যেতো আমার দুই মেয়ে ও জামাই। আমাকে বিছানা থেকে নেমে হুইল চেয়ারে বসতে হলে অন্যের সাহায্য লাগে। এখন আমার কি হবে, আমাকে কে দেখবে। আমি কিভাবে বেচে থাকবো। আল্লাহ্ আমার এই দৃশ‍্য দেখার আগে আমার মৃত্যু হলো না কেনো। আমি সবকিছুই হারিয়ে ফেললাম। আমি এই অসুস্থ শরীর নিয়ে তাদের কবর গুলোকেও দেখতে যেতে পারবো না।

মোহাম্মদ মোল্লার ভাইয়ের ছেলে মন্জু বলেন, আমার চাচা স্ট্রোকজনিত কারনে দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ হয়ে বিছানায়। সেই অসুস্থ হওয়ার পর থেকে আন্টি সেবা যত্ন দিয়ে সুস্থ করে তুলছেন। তিনি এখন হুইল চেয়ারে করে চলাফেরা করে। আমার চাচা সব হারিয়ে বতর্মানে জীবিত থেকেও মৃত হয়ে গেছে। তাকে দেখার মতো আর কেউ নেই।

দয়া করে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2024 by Bogurapost
Theme Customized By BreakingNews