বগুড়াপোস্ট ডেস্ক
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল- বিএনপির নেতৃত্বে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের মন্ত্রিসভা গঠন করা হয়েছে। এরই মধ্যে মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবে পূর্ণ মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী হিসেবে মোট ৪৯ জন শপথ নিয়েছেন। এর মধ্যে পূর্ণ মন্ত্রী হয়েছেন ২৪ জন ও প্রতিমন্ত্রী হয়েছেন ২৪ জন।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সোয়া ৪টার পর তাদের শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
পূর্ণ মন্ত্রী হিসেবে যারা শপথ নিয়েছেন তারা হলেন-
১. মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর (স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়)
২. আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী (অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়)
৩. সালাহউদ্দিন আহমদ (স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়)
৪. ইকবাল হাসান মাহমুদ (বিদ্যুৎ, জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়)
৫. হাফিজ উদ্দিন আহমেদ (মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়)
৬. আবু জাফর মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন (মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়)
৭. আব্দুল আওয়াল মিন্টু (পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়)
৮. কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ (ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়)
৯. মিজানুর রহমান মিনু (ভূমি মন্ত্রণালয়)
১০. নিতাই রায় চৌধুরী (সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়)
১১. খন্দকার আব্দুল মোকতাদির (বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়)
১২. আরিফুল হক চৌধুরী (শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়)
১৩. জহির উদ্দিন স্বপন (তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়)
১৪. আফরোজা খানম রিতা (বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়)
১৫. মো. শহিদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি (পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়)
১৬. আসাদুল হাবিব দুলু (দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়)
১৭. মো. আসাদুজ্জামান (আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়)
১৮. জাকারিয়া তাহের (গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়)
১৯. দীপেন দেওয়ান (পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়)
২০. আ ন ম এহছানুল হক মিলন (শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়)
২১, ফকির মাহবুব আনাম স্বপন (ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়)
২২. সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল (স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়)
২৩. শেখ রবিউল আলম (সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়, রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়)
২৪. মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ (কৃষি মন্ত্রণালয়, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়)
২৫. ড. খলিলুর রহমান- টেকনোক্র্যাট (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়)
এদের মধ্যে মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ ও ড. খলিলুর রহমান টেকনোক্র্যাট কোটায় মন্ত্রিত্ব পেয়েছেন।
এদিকে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে যারা শপথ নিয়েছেন তারা হলেন-
১. এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত
২. অনিন্দ্য ইসলাম অমিত
৩. মো. শরিফুল আলম।
৪. শামা ওবায়েদ ইসলাম।
৫. সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
৬. কায়সার কামাল।
৭. ফরহাদ হোসেন আজাদ।
৮. মো. আমিনুল হক। (টেকনোক্র্যাট প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ)
৯. মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন।
১০. হাবিবুর রশিদ।
১১. মো. রাজিব আহসান
১২. মো. আব্দুল বারী।
১৩. মীর শাহে আলম।
১৪. জুনায়েদ সাকি।
১৫. ইশরাক হোসেন।
১৬. ফারজানা শারমিন।
১৭. শেখ ফরিদুল ইসলাম।
১৮. নুরুল হক নুর।
১৯. ইয়াসের খান চৌধুরী।
২০. এম ইকবাল হোসেইন।
২১. এম এ মুহিত।
২২. আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর।
২৩. ববি হাজ্জাজ।
২৪. আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম।
এর আগে, মঙ্গলবার দুপুরে সংসদ সদস্যরা শপথ গ্রহণ করেন। প্রথমে বিএনপি থেকে নির্বাচিত এমপিরা শপথ গ্রহণ করেন। এরপর ১১ দলীয় জোট, স্বতন্ত্র ও অন্যান্য সংসদ সদস্যরা শপথ গ্রহণ করেন। তাদের সবাইকে শপথবাক্য পাঠ করান প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন।
এমপি হিসেবে শপথ নেয়ার পরপরই সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে দ্বিতীয় ধাপে শপথ নেন জামায়াতের নেতারা। তবে, দ্বিতীয় শপথের আগে স্বতন্ত্র এমপি রুমিন ফারহানা ও বিএনপির ইশরাক হোসেনকে সভাকক্ষ থেকে বেরিয়ে যেতে দেখা যায়।
এদিকে, বিএনপির নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ নিলেও সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেননি। এ কারণে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের শপথ নিয়েও অনিশ্চয়তা ও ধোঁয়াশা তৈরি হয়।
সংবিধান সংস্কার পরিষদে শপথ না নেয়ার কারণ হিসেবে কক্সবাজার-১ আসনে বিএনপির নির্বাচিত সংসদ সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘আমরা কেউ সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হইনি। জাতীয় সংসদে বিষয়টি সাংবিধানিকভাবে গৃহীত হলে এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেয়া যাবে।’
Leave a Reply