1. admin@bogurapost.com : admin :
পে অর্ডার জালিয়াতি : এস আলমের দুই ছেলেসহ ১০ জনের নামে মামলা - BoguraPost
রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:২৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বগুড়ায় ৪০০ একর জমিতে নতুন বিসিক শিল্পপার্ক স্থাপন করা হবে : বাণিজ্যমন্ত্রী বগুড়ায় শ্রমিকদলের বহিস্কৃত নেতা লিটন শেখ বাঘার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ ভিন্নমতকে সম্মান করাই গণতন্ত্রের অন্যতম ভিত্তি: মির্জা ফখরুল বগুড়ায় বাসচাপায় ৭ দিনমজুর নিহতের ঘটনায় তদন্ত কমিটি বগুড়া কানছগাড়ি বণিক সমিতির সভাপতি সেলিম সম্পাদক রকি নির্বাচিত চা শিল্পের সমস্যা সমাধানে সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর বগুড়া সিটি করপোরেশনের প্রথম ১৪১৭ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা জাতীয় সংসদে বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় বিল অনুমোদন: বগুড়া জেলা ছাত্রদলের আনন্দ মিছিল মামলাজট নিরসনে মধ্যস্থতা কার্যক্রম আশাব্যঞ্জক ফল দিচ্ছে : আইনমন্ত্রী বগুড়ায় ৭ দিনব্যাপী বৃক্ষরোপন অভিযান ও বৃক্ষ মেলা শুরু

পে অর্ডার জালিয়াতি : এস আলমের দুই ছেলেসহ ১০ জনের নামে মামলা

  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ২৫১ বার

বগুড়াপোস্ট ডেস্ক

পে অর্ডার জালিয়াতির অভিযোগে এস আলম গ্রুপের কর্ণধার সাইফুল আলমের দুই ছেলে, এক উপ কর কমিশনার এবং ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের সাত কর্মকর্তাসহ ১০ জনের নামে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
মঙ্গলবার দুদক চট্টগ্রাম সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এ দুদকের প্রধান কার্যালয়ের উপ-সহকারী পরিচালক মো. নিজাম উদ্দিন বাদী হয়ে মামলাটি করেন।

আসামিরা হলেন, সাইফুল আলমের ছেলে আসাদুল আলম মাহির ও আশরাফুল আলম, কর কর্মকর্তা চট্টগ্রাম কর অঞ্চল-১ এর সাবেক উপ কর কমিশনার আমিনুল ইসলাম, ফাস্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের কর্মকর্তা মো. হেলাল উদ্দিন, মো. আমির হোসাইন, মো. আহসানুল হক, মো. রুহুল আমিন, শামীম আক্তার, মো. আনিস উদ্দিন ও গাজী মোহাম্মদ ইয়াকুব।

মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুদক চট্টগ্রাম সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এর উপ পরিচালক সুবেল আহমেদ।

এজাহারে বলা হয়েছে, ২০২১ সালে আয়কর রিটার্নে আসাদুল আলম মাহির ২৯ জুন তারিখের পে-অর্ডারের মাধ্যমে কর দেওয়ার তথ্য দেন। একই সঙ্গে ব্যাংক হিসাবে ঐ দিন ২৫ কোটি টাকা জমা ও উত্তোলন দেখানো হয়। কিন্তু দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) তদন্তে দেখা যায়, যে ব্যাংক হিসাবে পে-অর্ডার ইস্যু ও হিসাব বিবরণী দাখিলের তথ্য দেখানো হয়, সেই হিসাবটি খোলা হয় ঐ ঘটনার আরো ৫ মাস ২০ দিন পর, একই বছরের ১৯ ডিসেম্বর। টাকা জমার কোনো রশিদও পাওয়া যায়নি।

২০ ডিসেম্বর ব্যাংকে কোনো লেনদেনের তথ্য না থাকলেও ঐ তারিখে জমার রশিদ পাওয়া গেছে। একইভাবে, আশরাফুল আলমের ব্যাংক হিসাবে ২০২১ সালের ২৯ জুন পে-অর্ডার ইস্যু দেখানো হলেও সেদিন হিসাবে কোনো টাকা ছিল না। পে-অর্ডারের অর্থ জমার কোনো রশিদও পাওয়া যায়নি। ব্যাংক কর্মকর্তাদের যোগসাজশে আসামিরা তথ্যপ্রযুক্তির অপব্যবহারের মাধ্যমে জালিয়াতি করে ২০ ডিসেম্বরের লেনদেন পাঁচ মাস আগে ২৯ জুন দেখিয়েছেন।

দয়া করে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2024 by Bogurapost
Theme Customized By BreakingNews