নিজস্ব প্রতিবেদক
বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান, ব্যবসায়ী নেতা আব্দুল আওয়াল মিন্টু বলেছেন, শৈরাচারী আওয়ামীলীগ অন্যায় করেছে, সন্ত্রাস করেছে তাদের ব্যাপারে বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ব্যবস্থা নেয়নি এটা দুঃখের বিষয়। আওয়ামীলীগ দেশে যখন সরকার গঠন করেছে তখনই দেশকে দুর্বৃত্তায়ন এবং অপরাধের দিকে ধাবিত করেছে। যার জন্য সব সময় দেশের রাজনীতি ও অর্থনীতির ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আমরা চাই এদের সবারই বিচার হোক। আওয়ামী লীগ ভোটে অংশগ্রহণ করতে পারবেন কি, পারবেন না সেটা জনগণ বিচার করবে। আব্দুল আওয়াল মিন্টু আরো বলেন, বগুড়া এক সময় উত্তর অঞ্চলের ব্যবসার ঘাঁটি ছিল। আমরা মনে করি বিভিন্নভাবে বৈষম্যের কারণে সেই সুযোগ-সুবিধা বগুড়ার মানুষ পায়নি। ভবিষ্যতে বাংলাদেশে যথাযথ গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হবে, তখন যেসব বিষয় বৈষম্য হয়েছিল বৈষম্যমুক্ত করে এই বগুড়াকে আবার শক্তিশালী হিসাবে পরিণত করা হবে। মিন্টু বলেন, যারা অন্যায় করেছে তাদের ব্যাংক একাউন্ট জব্দ বা শাস্তি দিক এ বিষয়ে আমাদের আপত্তি নেই। কোন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান অথবা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, তাহলে দেশ ক্ষতিগ্রস্ত হবে, দেশের জনগণ ক্ষতিগ্রস্ত হবে। আমরা চাই দেশে কোন প্রতিষ্ঠান বন্ধ না হোক। বাংলাদেশে দ্রুত গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠা করে দেশে বিনিয়োগের পরিবেশ সৃষ্টি করা হোক, যেখানে বিনিয়োগ হবে উৎপাদন বাড়বে শ্রমিকের কর্মসংস্থান হবে। শুক্রবার ২৪জানুয়ারি বেলা সাড়ে ১০টায় বগুড়া শহরের দত্তবাড়িতে শহীদ জিয়াউর রহমান শিশু হাসপাতলে আয়োজনে দেশবরেণ্য ক্রীড়া সংগঠক আরাফাত রহমান কোকোর ১০ম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে ফ্রি-মেডিকেল ক্যাম্পের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি কথাগুলো বলেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশেষ অতিথি বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা একেএম এ্যাডভোকেট মাহবুবর রহমান ও সাবেক এমপি হেলালুজ্জামান তালুকদার লালু, বগুড়া জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা পরিষদ কাউন্সিল সদস্য ড. মাহাদী আমীন, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আলী আজগর তালুকদার হেনা, জয়নাল আবেদীন চান, গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. জি কে এম মোস্তাফিজুর রহমান, নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. মোহাঃ হাসানাত আলী, বগুড়া জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সাবেক এমপি মোশারফ হোসেন।
শহীদ জিয়াউর রহমান শিশু হাসপাতাল পরিচালনা কমিটির যুগ্ন আহবায়ক জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মীর শাহে আলমের আমন্ত্রণে অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন ফজলুল বারী তালুকদার বেলাল, ড্যাব বগুড়া জেলা শাখার সাবেক সভাপতি ডাঃ শাহ্ মোঃ শাহজাহান আলী, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মাফতুন আহমেদ খান রুবেল, জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শহীদ উন নবী সালাম, কেএম খায়রুল বাশার, জাহিদুল ইসলাম হেলাল, ডাঃ আফসারুল হাবিব রোজ, ডাঃ ইউনুছ আলী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শেখ তাহা উদ্দিন নাহিন, জেলা বিএনপির সহ-সাংহঠনিক সম্পাদক সুরাইয়া জেরিন রনি, শহর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সোলাইমান আলী, হাসপাতাল পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব সৈয়দ আমিনুল হক দেওয়ান সজল, জেলা যুবদলের সাবেক আহবায়ক খাদেমুল ইসলাম খাদেম, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আবু হাসান, জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক নাজমা আক্তার, জেলা মৎস্যজিবী দলের আহবায়ক ময়নূল হক বকুল, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি হাবিবুর রশিদ সন্ধান, শহর ছাত্রদলের সভাপতি এস এম রাঙ্গা প্রমুখ।
Leave a Reply