1. admin@bogurapost.com : admin :
বগুড়ার শেরপুরে বিয়ের পর স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বনিবনা না হওয়ায় ঘটককে গাছে বেঁধে মারপিট - BoguraPost
রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:২৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বগুড়ায় ৪০০ একর জমিতে নতুন বিসিক শিল্পপার্ক স্থাপন করা হবে : বাণিজ্যমন্ত্রী বগুড়ায় শ্রমিকদলের বহিস্কৃত নেতা লিটন শেখ বাঘার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ ভিন্নমতকে সম্মান করাই গণতন্ত্রের অন্যতম ভিত্তি: মির্জা ফখরুল বগুড়ায় বাসচাপায় ৭ দিনমজুর নিহতের ঘটনায় তদন্ত কমিটি বগুড়া কানছগাড়ি বণিক সমিতির সভাপতি সেলিম সম্পাদক রকি নির্বাচিত চা শিল্পের সমস্যা সমাধানে সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর বগুড়া সিটি করপোরেশনের প্রথম ১৪১৭ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা জাতীয় সংসদে বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় বিল অনুমোদন: বগুড়া জেলা ছাত্রদলের আনন্দ মিছিল মামলাজট নিরসনে মধ্যস্থতা কার্যক্রম আশাব্যঞ্জক ফল দিচ্ছে : আইনমন্ত্রী বগুড়ায় ৭ দিনব্যাপী বৃক্ষরোপন অভিযান ও বৃক্ষ মেলা শুরু

বগুড়ার শেরপুরে বিয়ের পর স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বনিবনা না হওয়ায় ঘটককে গাছে বেঁধে মারপিট

  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ১৯ জুন, ২০২৫
  • ৩২৪ বার
নিজস্ব প্রতিবেদক 

বগুড়ায় বিয়ের পর “স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বনিবনা না হওয়ায়” মজিবর শেখ (৬৫) নামের এক ঘটককে গাছে বেঁধে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এতে ওই ঘটক গুরুতর আহত হয়েছে। ওই ব্যক্তি স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসার পর উন্নত চিকিৎসার  বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি আছেন।

রবিবার (১৯ জুন) বগুড়ার শেরপুর উপজেলার সুঘাট ইউনিয়নের সূত্রাপুর গোয়ালপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

আহত ঘটকে  নাম মজিবর শেখ (৬৫)। তিনি শেরপুর উপজেলার সুঘাট ইউনিয়নের ওমরপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। এ ঘটনায় মজিবরের ছোট ভাই নজরুল শেখ শেরপুর থানায় ৪জনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

শেরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিবার ও পরিকল্পনা কর্মকর্তা সাজিদ হাসান সিদ্দিকী বলেন, “গত রবিবার রাতে মজিবর শেখকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে মঙ্গলবার তাকে শহিদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।  আহত মজিবরের শরীরে মারধরের একাধিক চিহ্ন রয়েছে।

জানা গেছে, গত ৯ জুন সুঘাট ইউনিয়নের সূত্রাপুর গোয়ালপাড়া গ্রামের জহুরুল ইসলামের মেয়ে সুমাইয়া খাতুনের (২১) সঙ্গে বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার ঘাসুরিয়া গ্রামের মো. মুন্নার (২৮) বিয়ে হয়। বিয়ের ঘটক ছিলেন মজিবর শেখ। সেদিনই আনুষ্ঠানিকভাবে বর ও তার পরিবারের সদস্যরা কনে সুমাইয়াকে নিয়ে যান।

 হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে ঘটক মজিবর শেখ বৃহস্পতিবার বলেন, “রবিবার সন্ধ্যায় জহুরুল ইসলাম ও তার পরিবারের লোকজন আমাকে বাড়িতে ডেকে নিয়ে যান। পরে তারা অভিযোগ করেন, বিয়ের পর মেয়ে-জামাইয়ের মধ্যে বনিবনা হচ্ছে না। এরপর তারা আমাকে একটি গাছের সঙ্গে আমাকে বেঁধে লাঠি দিয়ে হাতে, পায়ে ও মাথায় মারধর করেন। সন্ধ্যা ৭টা থেকে অন্তত এক ঘণ্টা ধরে মারধর করা হয়। পরে আমার ভাই নজরুল শেখ এসে আমাকে উদ্ধার করে উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে যায়।

এ বিষয়ে কনের বাবা জহুরুল ইসলাম জানান, মেয়েকে তুলে দেওয়ার দুই দিন পর থেকেই শ্বশুরবাড়ির লোকজন মেয়ে ও তাদের সঙ্গে খারাপ আচরণ শুরু করেন। শ্বশুরবাড়ির লোকজন তাদের মেনে নিতে পারছেন না। বিয়ের আগে ঘটক মজিবর শেখ জানিয়েছিলেন ছেলের পরিবার খুব ভালো। এ কারণে তার পরিবারের লোকজন ঘটক মজিবরের প্রতি ক্ষুব্ধ হয়েছে।

মজিবর শেখের ছেলে মো. সোনাউল্লাহ শেখ বলেন, তার বাবা পেশাদার ঘটক নয়, কোন টাকার বিনিময়ে ঘটকালিও করেন না। উপহারের কথা বলে ডেকে নিয়ে গিয়ে যেভাবে নির্যাতন চালানো হয়েছে, তা অমানবিক। এ ঘটনায় আমার আজ গুরুতর আহত হয়ে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মঈনুদ্দিন জানান, ঘটক মজিবরকে মারপিটের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করা হচ্ছে । প্রাথমিক তদন্তে মারধরের সত্যতা মিলেছে। তদন্ত শেষে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে  আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দয়া করে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2024 by Bogurapost
Theme Customized By BreakingNews