1. admin@bogurapost.com : admin :
বগুড়া আদমদিঘীতে ইসলামি ব্যাংকের এজেন্ট দেড় কোটি টাকা আত্মসাত, মুল পরিকল্পনাকারী গ্রেপ্তার - BoguraPost
রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:২৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বগুড়ায় ৪০০ একর জমিতে নতুন বিসিক শিল্পপার্ক স্থাপন করা হবে : বাণিজ্যমন্ত্রী বগুড়ায় শ্রমিকদলের বহিস্কৃত নেতা লিটন শেখ বাঘার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ ভিন্নমতকে সম্মান করাই গণতন্ত্রের অন্যতম ভিত্তি: মির্জা ফখরুল বগুড়ায় বাসচাপায় ৭ দিনমজুর নিহতের ঘটনায় তদন্ত কমিটি বগুড়া কানছগাড়ি বণিক সমিতির সভাপতি সেলিম সম্পাদক রকি নির্বাচিত চা শিল্পের সমস্যা সমাধানে সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর বগুড়া সিটি করপোরেশনের প্রথম ১৪১৭ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা জাতীয় সংসদে বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় বিল অনুমোদন: বগুড়া জেলা ছাত্রদলের আনন্দ মিছিল মামলাজট নিরসনে মধ্যস্থতা কার্যক্রম আশাব্যঞ্জক ফল দিচ্ছে : আইনমন্ত্রী বগুড়ায় ৭ দিনব্যাপী বৃক্ষরোপন অভিযান ও বৃক্ষ মেলা শুরু

বগুড়া আদমদিঘীতে ইসলামি ব্যাংকের এজেন্ট দেড় কোটি টাকা আত্মসাত, মুল পরিকল্পনাকারী গ্রেপ্তার

  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ৯ জুলাই, ২০২৪
  • ৪৩২ বার
নিজস্ব প্রতিবেদক
বগুড়া জেলার আদমদীঘি থানাধীন চাঁপাপুর বাজার ইসলামী ব্যাংক পিএলসি এজেন্ট ব্যাংক লিমিটেড গ্রাহকের দেড় কোটি টাকা আত্মসাত করে পালাতক থাকে। এ অবস্থায় গ্রাহকরা চরম দুশ্চিন্তায় পড়ে যায়। অবশেষে সেই এজেন্ট ব্যাংকের গ্রাহকের টাকা আত্মসাতের মুল পরিকল্পনাকারীকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। সুজন রহমান (২৭) জেলার কাহালু উপজেলার গোবিন্দপুর এলাকার এনামুল হকের ছেলে। মঙ্গলবার দুপুরে নিজ কার্যালয়ে এক প্রেসবিফ্রিং র‌্যাব-১২ কোম্পানি কমান্ডার (পুলিশ সুপার) মীর মনির হোসেন এসব তথ্য জানান।
কমান্ডার আরও জানান,  উক্ত এজেন্ট গ্রাহকদের দেড় কোটি টাকা আত্মসাতের ঘটনায় ইসলামি ব্যাংকের  শাখার ব্যবস্থাপক কাজী মিজানুর রহমান একটি অভিযোগ দায়ের করেন আসামী মোঃ সুজন রহমানের বিরুদ্ধে। সুজন উক্ত ব্যাংকের ক্যাশিয়ারের দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন। গত ২৩/০৫/২৪ তারিখ  থেকে আসামী তার কর্মস্থলে আসেনা। পরবর্তীতে তার বাসায় খোঁজ নিয়ে দেখা যায় বাসায় তালা লাগিয়ে অজ্ঞাত স্থানে পালিয়ে গিয়েছে। গত ২৩/০৫/২৪ তারিখ মার্জিয়া বেগম নামের একজন গ্রাহক উক্ত ব্যাংকে তার জমাকৃত ৪,০৫,০২৩ টাকা হতে কিছু টাকা উত্তোলন করতে আসে দেখে তার একাউন্টে ৪১৮৬০ টাকা রয়েছে। পরবর্তীতে জানা যায় যে আরো অনেক গ্রাহকের নিকট হইতে টাকা জমা গ্রহণ করিয়া ব্যাংকে জমা প্রদান না করিয়া এবং একাধিকবার ফিংগার প্রিন্ট গ্রহণ করিয়া মার্জিয়া বেগমসহ বিভিন্ন গ্রাহকের সর্বমোট ১ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেছে। যার প্রেক্ষিতে বগুড়া আদমদীঘি থানায় ২৯ মে মামলা দায়ের হয়। যা বগুড়া জেলাসহ সারা দেশে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে এবং ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ায় আলোড়ন তৈরি করে। এ ঘটনার পর থেকেই র‌্যাব আসামীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসতে গোয়েন্দা নজরদারী শুরু করে। এরই ফলশ্রæতিতে ৮ জুলাই সোমবার রাতে র‌্যাব-১২, বগুড়া ও র‌্যাব-৪, সাভার এর যৌথ অভিযানে ঢাকা জেলার ধামরাই থানাধীন তালতলা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে আসামী মোঃ সুজন রহমান’কে গ্রেফতার করা হয়।
উল্লেখ্য যে, ধৃত আসামী জিজ্ঞাসাবাদে র‌্যাবকে জানায় উল্লেখিত এজেন্ট ব্যাংকিং শাখার আউটলেটটি তার বড় চাচার নামে লাইসেন্সকৃত। তার বড় চাচা বিভিন্নভাবে আর্থিক সংকটে পড়লে তারা মিলে পরিকল্পনা করে যে গ্রাহক হতে টাকা জমা নেওয়ার সময় সম্ভব হলে রিসিপ্ট না দিয়ে গ্রাহককে ম্যানেজ করবে এবং উক্ত টাকা গ্রাহকের একাউন্টে জমা না করে নিজেরা ভাগ করে নিতো। অপরদিকে গ্রাহক ফিংগারপ্রিন্ট দিয়ে তাদের একাউন্টে রক্ষিত অর্থ উত্তোলনের সময় একাধিকবার ফিংগারপ্রিন্ট নিয়ে অধিক টাকা উত্তোলন করতো। একবার ফিংগারপ্রিন্ট দেয়ার বিপরীতে উত্তোলিত অর্থ গ্রাহককে দিত বাকিটা নিজেরা নিয়ে নিতো। এভাবে প্রায় এক বছর যাবত ধাপে ধাপে এজেন্ট ব্যাংকিং শাখাটির পরিচালনাকারীরা প্রায় দেড় কোটি টাকা আত্মসাৎ করে।
গ্রেপ্তারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আদমদীঘি থানায় অর্থ আত্মসাতের আরো একটি মামলা আছে। সেজন্য  দাপ্তরিক কার্যক্রম শেষে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সুজন রহমানকে আদমদীঘি থানা পুলিশে হস্তান্তর করা হয়েছে।

দয়া করে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2024 by Bogurapost
Theme Customized By BreakingNews