কোটা প্রথা সংস্কারের দাবিতে সারাদেশের মতো বগুড়া উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। দুপুর তিনটার পর থেকে বগুড়া শহরের কেন্দ্রস্থল সাতমাথা এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টা দিকে টিয়ারসেল ও রাবারবুলেট নিক্ষেপ করে শিক্ষার্থীদের সাতমাথা থেকে বিতাড়িত করে।
বিভিন্ন কলেজের শিক্ষার্থীরা কোটা সংস্কারের দাবিতে সাতমাথায় বিক্ষোভ সমাবেশ শুরু করলে পরপর কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণ হয়। এরপর বিক্ষোভকারীরা বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। তারা জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয় ও, পুলিশ বক্স,৮/১০ টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে আগুন ধরিয়ে দেয় । এছাড়াও মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স মুজিব মঞ্চ ও পোস্ট অফিসের দরজা- জানালার কাঁচ ভাঙচুর করে। এ সময় প্রায় তিন ঘন্টা এলাকা শহরের সাতমাথা এলাকার রণক্ষেত্র পরিণত হয়। ভিক্ষুক কারীদের হামলা ভাঙচুর ও লাঠি সোটা লাগাতে ৪ জন সাংবাদিকসহ অন্তত ৩০ জন আহত হয়। গুরুতর আহত হয়েছেন বগুড়া টাউন ক্লাব সেক্রেটারী শামীম কামাল। তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সহিংসতা এড়াতে বগুড়ায় বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।
সময় শহরের বিভিন্ন সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পুরো শহরে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
এর আগে, বগুড়া -ঢাকা মহাসড়কের বগুড়া মেডিকেল কলেজের সামনের সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ মিছিল করেছে মেডিকেল কলেজ শিক্ষার্থীরা। কিছু সময় সড়ক অবরোধের পর কলেজ ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল করেছে ছাত্র-ছাত্রীরা।
অপরদিকে, বেলা ১১ টায় বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজে কথা প্রথা সংস্কারের দাবিতে মিছিলের সময় পর পর কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণ হয়। এতে তিনজন শিক্ষার্থী আহত হয়।
এর আগে শহরের শেরপুর রোডে কলোনি এলাকায় পলিটেকনিকের সামনে বিক্ষোভ করেছে পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট এর শিক্ষার্থীরা। এ সময় পুলিশের সাথে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
Leave a Reply