নিজস্ব প্রতিবেদক
দীর্ঘ ১৯ বছর পর এবার সত্যিই আগামী ২৯ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার বগুড়ায় আসছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সেজন্য আবারও দলীয় নেতাকর্মীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ উদ্বেপনা দেখা দিয়েছে। যদি এর আগে তারেক রহমান বগুড়ায় আসার তারিখ দিয়ে দুই আগে নির্বাচন আচারণ বিধি ভঙ্গের আশঙ্কায় বাতিল করেছিলেন। তারেক রহমানের আগমনে আগে থেকে দলীয কার্যালয় নবরুপে সজ্জিত করা হয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বগুড়া সদর উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি মাফতুন আহমেদ খান রুবেল।
প্রিয় নেতা তারেক রহমানকে দেখার জন্য সবাই অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন বলে মাফতুন আহমেদ খান রুবেল জানান, ২৮ জানুয়ারি বুধবার সন্ধ্যায় বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বগুড়া আসবেন। এদিন তিনি বগুড়া জেলা বিএনপি’র সাথে এক সভায় মিলিত হবেন। পরে বায়তুর রহমান সেন্ট্রাল মসজিদে এশার নামাজ ও মসজিদটি পরিদর্শন শেষে শহীদ জিয়াউর রহমান শিশু হাসপাতাল পরিদর্শন করবেন। বিএনপি’র এই নেতা আরও জানান, বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান পরের দিন ২৯ জানুয়ারি বগুড়া সদর উপজেলার সব কয়েকটি ইউনিয়নের ধানের শীষের পক্ষে নির্বাচনি গণসংযোগ করবেন। এদিন সকালে তিনি এরুলিয়া ইউনিয়ন দিয়ে গণসংযোগ শুরু করে সাবগ্রাম ইউনিয়ন দিয়ে কর্মসূচি শেষ করে গাবতলীর উদ্দেশ্যে রওয়ানা হবেন।
বগুড়া জেলা বিএনপি সূত্র জানায়, তারেক রহমান সর্বশেষ ২০০৬ সালের ২৪ ডিসেম্বর বগুড়ায় এসেছিলেন। দীর্ঘ ১৯ বছর পর আগামী ২৮ জানুয়ারি তিনি আবার বগুড়ার মাটিতে পা রাখবেন। তার আগমনকে ঘিরে নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। তাকে এক নজর দেখার জন্য সবাই অপেক্ষা করছেন।
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বগুড়া সফরকে কেন্দ্র করে দলীয় নেতাকর্মীদের মাঝে নতুন করে উৎসাহ, উচ্ছ্বাস ও উদ্দীপনা। এখন দলীয় নেতাকর্মীরা অপেক্ষা করছেন কখন তাদের প্রিয় নেতা বগুড়ায় আসবেন। তাকে বরণ করতে চলছে নানা আয়োজন। শহরের নবাববাড়ি সড়কস্থ দলীয় কার্যালয় নতুন করে ঢেলে সাজানো হচ্ছে। দলীয় কার্যালয়ের ভিতরে রয়েছে একটি আলাদা রাজনৈতিক কক্ষ, যা তারেক রহমান বিগত সময়ে ব্যবহার করতেন।
২০০৬ সালে তারেক রহমান বগুড়া থেকে যাওয়ার পর আর এই কক্ষটি ব্যবহার হয়নি। সেটি ১১ জানুয়ারিতে বগুড়ায় আসার কথায় তার আগেই কক্ষটিকে নতুন করে সাজানো হয়েছে। যে কক্ষে দীর্ঘ ১৯ বছর পর তারেক রহমান বসবেন।
যেখানে তারেক রহমান বসবেন এবং বগুড়া থেকে আবারও উত্তরের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করবেন বলে মনে করছেন দলীয় নেতাকর্মীরা। পুরো দলীয় কার্যালয় জুড়ে শুধু নতুন রুপে সাজানোর হয়েছে।
তারেক রহমান সর্বশেষ গত ২০০৬ সালের ২৪ ডিসেম্বর বগুড়ায় এসেছিলেন। দীর্ঘ ১৯ বছর ১৮ দিন পর তিনি আবার বগুড়ার মাটিতে পা রাখবেন। বিএনপির চেয়ারম্যান ও বগুড়া-৬ (সদর) আসনের প্রার্থী তারেক রহমানের আগমনকে ঘিরে নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। তাকে একনজর দেখার জন্য সবাই অপেক্ষা করছেন।
তারেক রহমানের রাজনৈতিক কক্ষ রঙের কাজ করছেন রংমিস্ত্রি ইসলাম প্রামানিক বলেন, বিএনপি অফিসে রঙের কাজ করছি। এই রুম যে তারেক রহমানের তা জানা ছিল। সত্যি অনেক আনন্দ লাগছে। তারেক রহমান এই রুমে বসবেন সেই রুমের রঙের কাজ করছি। বিষয়টি অনেক আনন্দের।
সদর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও নিশিন্দারা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রাফিউল করিম রাফি জানান, প্রিয় নেতা দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে স্বচোখে দেখার জন্য নেতাকর্মীসহ বগুড়া জেলার সাধারণ মানুষ অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে। চলতি মাসের ১২ তারিখে প্রিয় নেতা বগুড়ায় আসার তারিখ নির্ধারণ করায় দলীয় নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষ উৎফুল্ল হয়ে উঠেছিল। এবার ২৮ জানুয়ারীতে সেই প্রিয় নেতাকে সত্যিই স্বচোখে দেখতে পারবো।
জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ভিপি সাইফুল ইসলাম বলেন, ঘরের ছেলে ঘরে আসছে। এটাই আমাদের চাওয়া পাওয়া। আগামী দিনের রাজনীতির পথপ্রদর্শক হয়ে দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশে ফিরেছেন তারেক রহমান। দেশনেত্রীর প্রয়াণে আমরা ব্যথিত। এখন তারেক রহমান এদেশের হাল ধরবেন। ধ্বংসের কিনারা থেকে তুলে দেশে আবারও উন্নয়নের জোয়ার তুলবেন। দেশ হবে আধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর বাংলাদেশ।
বগুড়া জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বগুড়া আসবেন। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রূহের মাগফেরাত কামনায় গণ দোয়ায় অংশ নিবেন। বগুড়ার মানুষ অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন, ঘরের ছেলেকে বরণ করে নিতে। তারেক রহমানের আগমনে জেলার দলীয় নেতাকর্মীসহ সর্বসাধারণ মানুষ আনন্দে ভাসছে।
উল্লেখ্য, বগুড়ার গাবতলী উপজেলার বাগবাড়িতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পৈতৃক ভিটা অবস্থিত। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি বগুড়া-৬ ও ঢাকা-১৭ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
Leave a Reply