1. admin@bogurapost.com : admin :
পারিবারিক দ্বন্দ্বে বগুড়ায় হোটেলে স্ত্রী সন্তানকে হত্যা: বিচ্ছিন্ন মাথা উদ্ধার হয়নি - BoguraPost
রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:১৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বগুড়ায় ৪০০ একর জমিতে নতুন বিসিক শিল্পপার্ক স্থাপন করা হবে : বাণিজ্যমন্ত্রী বগুড়ায় শ্রমিকদলের বহিস্কৃত নেতা লিটন শেখ বাঘার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ ভিন্নমতকে সম্মান করাই গণতন্ত্রের অন্যতম ভিত্তি: মির্জা ফখরুল বগুড়ায় বাসচাপায় ৭ দিনমজুর নিহতের ঘটনায় তদন্ত কমিটি বগুড়া কানছগাড়ি বণিক সমিতির সভাপতি সেলিম সম্পাদক রকি নির্বাচিত চা শিল্পের সমস্যা সমাধানে সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর বগুড়া সিটি করপোরেশনের প্রথম ১৪১৭ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা জাতীয় সংসদে বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় বিল অনুমোদন: বগুড়া জেলা ছাত্রদলের আনন্দ মিছিল মামলাজট নিরসনে মধ্যস্থতা কার্যক্রম আশাব্যঞ্জক ফল দিচ্ছে : আইনমন্ত্রী বগুড়ায় ৭ দিনব্যাপী বৃক্ষরোপন অভিযান ও বৃক্ষ মেলা শুরু

পারিবারিক দ্বন্দ্বে বগুড়ায় হোটেলে স্ত্রী সন্তানকে হত্যা: বিচ্ছিন্ন মাথা উদ্ধার হয়নি

  • আপডেট সময় : সোমবার, ৩ জুন, ২০২৪
  • ৩৩২ বার
নিজস্ব প্রতিবেদক
বেড়ানোর কথা বলে বগুড়া শহরতলীর বনানী এলাকায় শুভেচ্ছা নামে একটি আবাসিক হোটেলে স্ত্রী সন্তানকে গলাকেটে নিঃসংশ হত্যাকান্ডের দ্বিতীয় দিনে ৬ ঘন্টা অভিযান চালিয়েও  মাথার সন্ধান করতে পারেনি ডুবুরি দল ।  সোমবার সকাল ১০ থেকে বিকেল ৩ টা পর্যন্ত রাজশাহী থেকে আগত ডুবুরি দল করতোয়া নদীতে আসমাীর দেখানো স্থান ও আশপাশের অভিযান পরিচালনা করেছে। এসময় জোড়া হত্যাকান্ডের ঠান্ডা মাথার খুনি আসামী আজিজুল হককে ঘটনাস্থলে আনা হয়েছিল। এ মাথা উদ্ধার অভিযান দেখতে শহরের সহস্রাধিক উৎসুক জনতা ভীড় করে।
জোড়াহত্যাকান্ডে আশামনির বাবা বাদী হয়ে শাজাহানপুর থানায় গ্রেফতারকৃত সেনা সদস্য আজিজুল হক ও তার বাবা হামিদুল হককে আসামীকে মামলা দায়ের করা হয়েছে।  নিহত স্থী আশামনি (২০), সন্তান আব্দুল্লাহ আল রাফি(১)।  হত্যার পর মায়ের মরদেহ হোটেলের বাথরুমের ভেতরে বিবস্ত্র অবস্থায় রেখেচিল। সন্তান রাফির মাথাবিহীন মরদেহ বস্তায় ভরে খাটের নিচে রেখেছিল। রবিবার (২ জুন)  বেলা ১১টার দিকে পুলিশ দুটি মরদেহ উদ্ধার করে।  শাজাহানপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি শহিদুল ইসলাম সত্যতা নিশ্চিত করে সোমবার বিকেলে বলেছেন সন্তানের মাথার সন্ধান এবং উদ্ধারে চেস্টা অব্যাহত আছে।
ওই জোড়া খুনের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ আজিজুর রহমান নামে এক সেনা সদস্যকে গ্রেফতার করেছে। আজিজুল হক  নিহত আশামনির স্বামী। আজিজুর বগুড়া জেলার ধুনট উপজেলার কালেরপাড়া। নিহত শিশুর মাথার সন্ধানে পুলিশ তল্লাশী শুরু করেছে। সেনা সদস্য আজিজুল হক চট্টগ্রাম সেনানিবাসে কর্মরত।
নিহত আশামনির ভাই শহরের নারুলী এলাকার বাসিন্দা মেহেদি হাসান সনি জানান, সেনা সদস্য আজিজুর রহমানের সাথে প্রায় ৩ বছর আগে তার বোনের বিয়ে হয়। দুই মাসের ছুটি নিয়ে সে কিছুদিন আগে বগুড়ায় আসে। এরপর তার ভগ্নিপতি আজিজু হক  গত বৃহস্পতিবার শহরের নারুলি এলাকায় শ্বশুর বাড়িতে বেড়াতে আসে। তিনি বলেন বেড়ানোর কথা বলে আজিজুর রহমান  তার বোন ও ভাগ্নেকে নিয়ে শনিবার বেড়িয়ে পড়ে।
শাজাহানপুর থানার ওসি শহিদুল ইসলাম জানান,  নিহতদের মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে আশামনির স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। নিহত শিশুর মাথা উদ্ধারে গ্রেফতারকৃত আসামী সাথে নিয়ে গিয়ে তার দেখানো করতোয়া নদীতে ডুবুরি দল দিয়ে ও ড্রোন ক্যামেরা দিয়ে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে সোমবার বিকেল পর্যন্ত।  তবে শিশু মাথা উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
ওসি হত্যাকান্ডের রহস্য সম্পর্কে বলেন, মায়ের সাথে স্ত্রীর ঝগড়ার জের ধরে পারিবারিক দ্বন্দ্বের কারণে সেনা সদস্য আজিজুল হক  জোড়া হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেছেন। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। প্রয়োজনের আদালতে হাজির করে রিমান্ড আবেদন করা হবে।  জোড়া হত্যাকান্ডে নিহত আশামনির বাবা আসাদুল ইসলাম বাদী হয়ে সেনাসদস্য ও তার বাবাকে আসামি করে রোববার রাতে মামলা দায়ের করেছে। শিশুটির  মাথার  সন্ধান ও উদ্ধারে চেস্টা অব্যাহত আছে।
বগুড়ায় ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র ষ্টেশন অফিসার মোঃ শহিদুল ইসলাম, জোড়াহত্যাকান্ডের শিশুর মাথা উদ্ধারে রাজশাহী থেকে ৮ সদস্যর একটি ডুবুরির দল আনা হয়েছিল। সেই ডুবুরি দল টানা ৬ ঘন্টা শহরের ফতেহ আলী বাজার রেল ব্রীজ সংলগ্ন করতোয়া নদীতে অভিযান চালিয়েছে। তাতে শিশুটির মাথার কোন সন্ধান করা সম্ভব হয়নি। পুলিশ আমাদের সহযোগিতা চাইলে আবারও দেওয়া হবে।

দয়া করে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2024 by Bogurapost
Theme Customized By BreakingNews