বগুড়া শহরের প্রাণকেন্দ্র সাতমাথায় দিনভর মষুলধারে বৃষ্টি উপেক্ষা করে অবস্থান নিয়ে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনকারীরা বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে। সাতমাথায় আসার পথে আদালত চত্বরে পুলিশের সাথে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ বাঁধে।পুলিশ টিয়ারসেল নিক্ষেপ করে ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করে। শনিবার বিকেল ৩ টা থেকে সন্ধ্যা ৭ টা পর্যন্ত এ বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে। এতে দীপ্ত টিভির রিপোর্টার এস এম আবু সাঈদ ও যমুনা টিভির ক্যামেরাম্যান আহত হয়েছে।
বিকেল ৩ টার আগে শহরের বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে আন্দোলনকারীরা শহরের সাতমাথায় প্রবেশ করে। এ বিক্ষোভ সমাবেশে বিকেল ৪ টার দিকে পুলিশ প্লাজা দিক থেকে জিলা স্কুল গেটের দবকে পর পর কয়েকটি টিয়ারসেল নিক্ষেপ করে। এতে আন্দোলনকারীরা দিক বিদ ছুটাছুটি করে। এতে কিছু আন্দোলনকারীরা আহত হয়ে পড়ে। পরে আন্দোলনকারীরা কাগজে আগুন জ্বালিয়ে টিয়ারসেলের ধোয়া নিবারণ করে। তারপরও আন্দোলনকারীরা বিভিন্ন শ্লোগানে উত্তপ্ত পরিস্থিতি। আজকের সমাবেশে সাতমাথায় এবং তার সাত রাস্তায় কানায় কানায় পুর্ণ হয়ে ছিল আন্দোলনকারীদের উপস্থিতিতে। কিছু আন্দোলনকারী সাতমাথায় আসরের নামাজ জামায়াত করে আদায় করে। এ আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি যোগ দিয়েছে তাদের অভিভাবক ও অসাধারণ জনতা এবং শিশুরাও ।
দুপুর তিনটায় শহরের সাতমাথায় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করে ছাত্র-ছাত্রীরা। শিক্ষার্থী বিক্ষোভে অংশ নে য়। শহরের থানা রোড, নবাববাড়ি সড়ক সহ বিভিন্ন সড়ক কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়। মিছিলে তারা কোটা সংস্কার আন্দোলনে নিহতের ঘটনায় বিচার দাবি করে। এসময় মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সামনে স্থাপিত বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাংচুর করেছে।
আন্দোলনকারিদের অভিযোগ করে বলেন, আমরা শান্তিপূর্ণ সমাবেশে অযাথা পুলিশ টিয়ারসেল নিক্ষেপ করে শিক্ষার্থীদের হামলা চালিয়েছে। এতে বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হয়েছে।
তবে, এব্যাপারে বগুড়া জেলা পুলিশের দায়িত্ব শীল কর্মকর্তারা মোবাইল ফোন রিসিভ না করায় তাদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
Leave a Reply