নিজস্ব প্রতিবেদক
বগুড়া এ্যাম্বুলেন্স মালিক কল্যান সমিতির প্রধান উপদেষ্টা এম এ হাকিমের সংবাদ সম্মেলন বগুড়া প্রেসক্লাবে শনিবার দুপুরে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে তিনি লিখিত এক বক্তব্যে বলেন, ফেসবুকে গত ২২ এপ্রিলে প্রকাশিত ” বগুড়া এ্যাম্বুলেন্স মালিক কল্যান সমিতির ৮ জন আহবায়কের পদত্যাগের ঘোষণা বিজ্ঞপ্তির প্রতি আমার দৃষ্টি গোচর হয়েছে। প্রথমেই বলিতে চাই আমি বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বিশেষ শ্রেনীর ঠিকাদার, আমি জীবনে কোন দিন কোন রাজনৈতিক দলের সদস্য ছিলাম না এখনও নাই।
সাংবাদিক ভাই ও বোনেরা বগুড়া এ্যাম্বুলেন্স মালিক কল্যান সমিতির সদস্যদের ভোটে ৩ বৎসরের জন্য নির্বাচিত হয়। পূর্বের কমিটির সভাপতি ছিলেন, জাকির হোসেন বেবী, সাধারন সম্পাদক ছিলেন মোঃ বাকীরুল ইসলাম এবং ক্যাশিয়ার ছিলেন মোঃ রফিক। আমি অনেক চেষ্টা করেও পূর্বের কমিটিকে দিয়ে উক্ত সমিতির নামে কোন ব্যাংক হিসাব খোলাইতে পারি নাই। উক্ত সাধারন সম্পাদক ও ক্যাসিয়ার কে নিষ্ক্রীয় করে সমিতির সভাপতি সমিতির অর্থ নিজ হেফাজতে রাখেন। তাহার বিরুদ্ধে উক্ত সমিতির সাধারন সদস্যদের উক্ত সমিতির অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ সহ অসন্তোস চরমে উঠায়, উক্ত কমিটির মেয়াদ পূর্তির ৪ মাস পূর্বে গত ২৫ জানুয়ারী উক্ত সমিতির সাধারন সভায় পূর্বের কমিটি সভাপতির বিরুদ্ধে সাধারন সদস্যদের ১২ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে, আয় ব্যয়ের কোন হিসাব দিতে ব্যর্থ হওয়ায় এবং তাহাদের বিভিন্ন অনিয়মের কারনে উক্ত কমিটি কে ভাঙ্গিয়া দেয়। পূর্বের কমিটি প্রসঙ্গে উক্ত সভার পরবর্তী ৩ (তিন) মাসের মধ্যে নির্বাচন দেওয়ার জন্য আমাকে প্রধান উপদেষ্টা করিয়া ১১ সদস্য বিশিষ্ট আহব্বায়ক কমিটি গঠন করে। উক্ত সমিতির সদস্যদের বসার চেয়ার না থাকায় উপদেষ্টাদের অনুরোধে আমি নিজ অর্থে কিছু চেয়ার খরিদ করিয়া দেই।
সাংবাদিক ভাইয়েরা আমি ৩ মাসের মধ্যে নির্বাচন দেওয়ার জন্য সচেষ্ট থাকি। ভাঙ্গিয়া দেওয়া পূর্বের কমিটি ও সভাপতির ভাগ্নে মোঃ জহরুল ইসলাম পলাশ ও সভাপতির ভ্রাতা মিজানুর রহমান বাবু তাহাদের ২/৩ জন সহযোগীর সহাতায় নির্বাচন না দিয়ে সিলেকশন কমিটি গঠনের জন্য সড়যন্ত্র করিতে থাকে। কারণ তাহারা বুঝিতে পারে পূর্বের কমিটির সভাপতির বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ সহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ থাকায় তিনি পুনরায় নিবাচিত হইতে পারিবেনা, সাংবাদিক ভাইয়েরা, উক্ত জহুরুল ইসলাম পলাশ সহ তাহার ২/১ জন সহযোগীরা নির্বাচন অনুষ্ঠানে অসহযোগিতা করার সঙ্গে ও উপদেষ্টাদের সহিত আলাপ আলোচনা করিয়া আমি গত ১৯ এপ্রিল সমিতির অফিস কক্ষে আগামী ১৭ মে নির্বাচনের তারিখ ঘোষনা করিয়া নির্বাচনের তফসিল ঘোষনা করি।
সাংবাদিক ভাইয়েরা উক্ত নির্বাচনের তপশীল ঘোষনা করায় পূর্বের ভাঙ্গিয়া দেওয়া কমিটির সভাপতি নির্বাচনে নিশ্চিত পরাজয় অনুধাবন করিয়া তাহার ভাগ্নে ও সহোদর ভ্রাতার সহিত একত্রিত হইয়া গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। তাহারা অন্যান্ন উপদেষ্টাদেরকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করিয়া জোর পূর্বক পদত্যাগ পত্রে স্বাক্ষর গ্রহণ করে। এমতাবস্থায় আমি উক্ত সমিতির সাধারন সদস্যদেরকে নির্বাচনের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য অনুরোধ করছি।
আমি কোন ফ্যাসিষ্ট নই আমার বিরুদ্ধে কোন মামলা হওয়ার কথা আমার জানা নাই। আমার বিরুদ্ধে উক্ত ষড়যন্ত্রকারীরা আমাকে মিথ্যা ভাবে মোকদ্দমায় জড়াতে পারে।
Leave a Reply