বগুড়া শহরের কৈগাড়ি এলাকায় জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদীন চাঁনের নেতৃত্বে সোয়া ৪ শতাংশ জায়গা বেদখল করে ইট বালু দিয়ে বাড়ি নির্মাণ করার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছে। উক্ত বিএনপি নেতার প্রকাশ্যে হুমকিতে অনিরাপত্তায় পরিবার পরিজন নিয়ে দিনপাত করছেন ভুক্তভোগীরা।
মঙ্গলবার দুপুরে বগুড়া প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী মোঃ বেলাল হোসেন মন্ডল লিখিত বক্তব্যে বলেন, সি.এস স্বত্ব দখলীয় কৈগাড়ী মৌজায় পূর্ব পাড়ায় যাহা ১৩নং ওয়ার্ড বগুড়া পৌরসভার অর্ন্তভূক্ত হয়। উক্ত জমিটি দাগ নং-৫৫০ জমির পরিমান-৪.০৪ শতক বে-আইনী ও অবৈধভাবে বে-দখল করিয়া ইট, সিমেন্ট, বালু ও খোয়া দ্বারা ঘর বাড়ী নির্মান করিতেছে। মোঃ আব্দুল হামিদ, মোছাঃ হামিদা উভয়ের পিতা ও স্বামী- মৃত: আব্দুল জলিল প্রাং কৈগাড়ী পূর্ব পাড়া । আমাদের কৈগাড়ী বসবাসকারী জেলা পর্যায়ে অতি পরিচিত রাজনৈতিক জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ জয়নাল আবেদীন চাঁন তাদের কে সাহায্য ও সহযোগিতা করিয়া আসিতেছি। আমি ও আমার পরিবার পরিজন বাধা দিতে গেলে উক্ত মোঃ জয়নাল আবেদনী চাঁন ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দেয়। উক্ত মোঃ আব্দুল হামিদ ও হামিদা গত ১৬ এপ্রিলে সকাল অনুমান ৯ টার সময় হুমকি ভয়ভীতি দেখালে আমরা পুলিশকে অবগত করিলে পুলিশ তাৎক্ষণিক ঘটনা স্থলে যায় এবং অবৈধ কার্যক্রম হইতে বিরত থাকা হইতে নিষেধ করেন। উভয় পক্ষকে থানায় আসিয়া আপোষ করার আহ্বান জনান, কিন্তু আব্দুল হামিদ ও হামিদা থানা পুলিশ কর্মকর্তার কথা অমান্য করে। আমি গত ১৬ এপ্রিলে শাজাহানপুর থানা জিডি নং-১০৫৩ দায়ের করি।
মোঃ বেলাল হোসেন মন্ডল আরও বলেন, উক্ত মোঃ জয়নাল আবেদনী চাঁনের প্রত্যক্ষ মদকে জবর দখলকারী মোঃ আব্দুল হামিদ ও হামিদা আইন শৃঙ্খলা অবনতি ঘটাইতেছে আইন অমান্য করিতেছে। নালিশী কৈগাড়ী মৌজার ৫৫০নং দাগের সম্পত্তি সি.এস ৩০নং খতিয়ান ভুক্ত যাহা আমার দাদী আবেদন নেছা বিবি নামে লিখিত। কছিরন পরলোক গমণ করিলে তাহার পুত্র আমার পিতা- মৃত: আফজাল হোসেন ওয়ারিশ সূত্রে প্রাপ্ত হয়। আমার পিতার মৃত্যুর পর আমি ওয়ারিশ সূত্রে উক্ত সম্পত্তি প্রাপ্ত হইয়া স্বত্ববান ও দখলকার রয়েছি। তাহা প্রভাবশালী রাজনীতিবিদ মোঃ জয়নাল আবেদীন চাঁনের প্রত্যক্ষ মদকে বে-দখল করার জন্য তাহার লাঠিয়াল বাহিনী মোঃ আব্দুল হামিদ গং উঠে পড়ে লেগেছে। আমরা সাধারণ মানুষ আপনাদের মাধ্যমে আমাদের জান মাল, জমি জমা নিরাপত্তা চাহিয়া প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
Leave a Reply