নিজস্ব প্রতিবেদক
শতবর্ষি ভোটার সিরাতুন বেওয়া(১০১), বগুড়া -৭ আসনের গাবতলী উপজেলার জামির বাড়ীয়া খোদেজা হামিদ উচ্চ বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার ( ১২ ফেব্রুয়ারী) বিকেল ৪ টার দিকে তিনি তার ভোট অধিকার প্রদান করেছেন। দীর্ঘদিন পর তিনি ভোট দিতে ভ্যানে চড়ে ছেলের সহযোগিতায় ভোট দিতে এসেছিলন সিরাতুন বেওয়া। তিনি গত ২০০৮ সালে জাতীয় নির্বাচনের ভোট দিয়েছিলেন। তারপর পছন্দের প্রার্থী না থাকায় তিনি ভোট দিতে আসেননি।
সুরাতন বেওয়া বগুড়া জেলার গাবতলী উপজেলার সোনারায় ইউনিয়নের জামির বাড়ীয়া দক্ষিণ পাড়ার লয়জুল্লাহ প্রামানিকের স্ত্রী। স্বামী ৩৫ বছর আগে মারা গেছেন। সুরাতন বেওয়ার ৪ ছেলে, ৩ মেয়ে। বড় ছেলে দুলু মিয়া তার ৪ মেয়েকে বিয়ে দিয়ে নাতি পুতি হয়েছে। সুরাতন বেওয়া বড় মেয়ে তার ছেলে মেয়েকে বিয়ে দিয়ে একাধিক নাতিপুতি হয়েছে। সুরাতন বেওয়া তার অনেক নাতিপুতি হয়েছে। তিনি ১৯২৫ সালে জন্ম গ্রহন করেছিলেন। তার কেন্দ্রে ভোটার নং ৫৭৭।
সুরাতন বেওয়া জানান, বয়স ১ শত পার হয়ে গেছে, কোমর পড়ে যাওয়ার একা একা চলাফেরা করতে পারি না। তাই ছেলের সাথে ভ্যান যোগে ভোট দিতে কেন্দ্রে এসেছি। আনসার সদস্য ও পোলিং এজেন্টের সহযোগিতায় ভোট দিলাম। পছন্দের প্রার্থী না থাকায় গত ২০০৮ সালের পর কোন জাতীয় নির্বাচনের ভোট দেয়নি। শুরু ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের ভোট দিয়েছি।
কেন্দ্রে দায়িত্বরত আনসার সদস্য রঞ্জু মিয়া জানান, সুরাতন বেওয়া খুবই বয়স্ক ভোটার হওয়ায় তাকে ভ্যান নেমে নিয়ে তার নিধারিত ভোট কক্ষে পৌঁছে দিয়ে আছি। তারপর কক্ষে অবস্থান রত মহিলা পোলিং এজেন্টের সহযোগিতায় তিনি তার ভোট প্রদান করেন।
প্রিজাইটিং অফিসার মিজানুর রহমান জানান, এ কেন্দ্রের মোট ভোটার সংখ্যা ৩০১৭। এ ভোটারদের মধ্যে সুরাতন বেওয়া সবচেয়ে বয়স্ক ভোটার। তিনি ছেলের সাথে ভ্যানে চড়ে কেন্দ্রে এসেছিলেন। আনসার সদস্য ও মহিলা পোলিং এজেন্টের সহযোগিতায় তার ভোটাধিকার প্রদান করে বাড়িতে ফিরে যান। এ কেন্দ্রে মোট ২১ শত ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন।
Leave a Reply