1. admin@bogurapost.com : admin :
শহীদ পরিবারের কেউ জামায়াত করলে ডাবল অপরাধ : ফজলুর রহমান এমপি - BoguraPost
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৪০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
দেশকে অস্থিতিশীল করার বিরুদ্ধে বগুড়ায় ১৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির মিছিল ও সমাবেশ বগুড়ায় রাস্তায় বাইক রাখায় সাবেক পুলিশ কর্মকর্তাকে ৩ হাজার টাকা জরিমানা এমপি গাজী নজরুল ফের ৪ দিনের রিমান্ডে বগুড়ায় জেলা জজের পুনঃপদায়ন বাতিলের দাবিতে দ্বিতীয় দিনেও আদালত বর্জন বগুড়ায় ‘নতুন কুঁড়ি গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট’ এর ৭ম ম্যাচ অনুষ্ঠিত গুলশানে আওয়ামী লীগের মিছিল, ওসির পর সরানো হলো ডিসিকেও আওয়ামী লীগ পালানোর মতো জায়গা পেলেও বিএনপি পালানোর জায়গাও পাবে না, বগুড়ায় নাযেবে আমীর  বগুড়ায় ৫৩ তম জাতীয় ক্রীড়া সমিতির ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরুস্কার বিতরণ বগুড়ায় মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের ঠনঠনিয়া শাখার নবনির্বাচিত কমিটির অভিষেক ১২ নভেম্বর থেকে শুরু স্থানীয় সরকার নির্বাচন: ইসি

শহীদ পরিবারের কেউ জামায়াত করলে ডাবল অপরাধ : ফজলুর রহমান এমপি

  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬
  • ২৪৯ বার

বগুড়াপোস্ট ডেস্ক

কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ফজলুর রহমান বলেছেন, বিরোধী দলের নেতা বলেছেন উনি মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের লোক এবং উনি শহীদ পরিবারের লোক। অথচ উনি জামায়াতে ইসলামী করেন, এটা ডাবল অপরাধ। মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের লোক কেউ জামায়াত করতে পারে না। শহীদ পরিবারের লোক জামায়াত করলে ডাবল অপরাধ করছে।

মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে বক্তব্য দেন ফজলুর রহমান। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

বিরোধীদলীয় নেতাকে উদ্দেশ্য করে ফজলুর রহমান বলেন, ‘উনাকে আমি অসম্মান করি না, সবসময় ‘মাননীয়’ বলে কথা বলি। কিন্তু উনার দলের লোকজন এখানে বসে আছেন, তারা আমাকে ‘ফজা পাগলা’ বলে কথা বলেন। তারা নাকি সভ্য! তারা নাকি ইসলাম… এবং উনি যে বলতেছেন… ওইদিন বললেন যে.. আমার দাড়ি পাকা, আমার চোখের সমস্ত (ভ্রু) পাকা। উনি আমার চেয়ে ১০ বছরের ছোট। আমার বয়স ৭৮ বছর। আমি ৪৮ সনে জন্মগ্রহণ করেছি, উনি ৫৮ সনে জন্মগ্রহণ করেছেন।’

এসময় তার বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সংসদ কক্ষ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। বিরোধী দলের সদস্যদের কঠোর সমালোচনা এবং ব্যক্তিগত আক্রমণের অভিযোগ তুলে ফজলুর রহমান যখন বক্তব্য দিচ্ছিলেন, তখন দফায় দফায় হট্টগোলের সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে স্পিকারকে বারবার হস্তক্ষেপ করতে হয় এবং সংসদীয় শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য কড়া হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

ফজলুর রহমান তার প্রতি করা ব্যক্তিগত মন্তব্যের বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে স্পিকার বলেন, ‘আমরা কি মুক্তিযুদ্ধ করি নাই? যেমন বিরোধী দলের নেতা বলেন।’ এ পর্যায়ে স্পিকার তাকে প্রশ্ন করেন, ‘আপনাকে কি কেউ এই ধরনের উক্তি করেছেন? এরকম তো সংসদে কেউ বলেননি।’ জবাবে ফজলুর রহমান বলেন, ‘করেছে।’ স্পিকার পুনরায় বলেন, ‘আপনি কেন নিজের গায়ে টেনে নিচ্ছেন?’ ফজলুর রহমান তখন জোর দিয়ে বলেন, ‘করেছে।’

বিরোধী দলের অনেকেই আমাকে ‘ফজা পাগলা’ বলে ডাকে
সংসদে ফজলুর বিরোধী দলের অনেকেই আমাকে ‘ফজা পাগলা’ বলে ডাকে
বিস্তারিত পড়ুন
স্পিকার তাকে বক্তব্য চালিয়ে যাওয়ার অনুমতি দিলে তিনি জামায়াতে ইসলামী ও মুক্তিযুদ্ধ প্রসঙ্গে কঠোর মন্তব্য করেন। ফজলুর রহমান বলেন, ‘আমি আবারও বলে রাখলাম, শহীদ পরিবারের লোক তো জামায়াত করতেই পারে না। আর জামায়াত করলে ডাবল অপরাধ করতেছে।’

ফজলুর রহমানের এসব বক্তব্যের যারা প্রতিবাদ জানাচ্ছিলেন তাদের দেখিয়ে তিনি বলেন, ‘এই যে দেখেন, তারা কী ধরনের আচরণ করছেন আজকে!’

স্পিকার তখন সংসদীয় রীতিনীতি স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, ‘মাননীয় সদস্য ফজলুর রহমান, অপেক্ষা করুন। এটি বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ। এখানে প্রত্যেকেই নির্বাচিত হয়ে এসেছেন। দয়া করে বসুন। মাননীয় বিরোধী দলের নেতা, আমি বলি তারপর আপনি বলেন। মাননীয় সদস্যবৃন্দ, সারা জাতি দেখছে, লাইভ টেলিকাস্ট হচ্ছে। আমি প্রতিদিনই বলি যে রুলস অব প্রসিডিউর বইটা একটু পড়েন। যদি এই সংসদ বিধি মোতাবেক পরিচালিত না হয়, এটি আর জাতীয় সংসদ থাকবে না।’

স্পিকার বলেন, ‘প্রত্যেকেরই বাকস্বাধীনতা আছে। যদি সরকারি দলের কোনো সদস্যের বক্তব্যে আপনাদের আপত্তি থাকে, আপনারা এরপরে তার বিরুদ্ধে যুক্তি খণ্ডন করুন। কিন্তু এই যে, শিশুরাও লজ্জা পাবে এ ধরনের আচরণে। ফজলুর রহমান সাহেব বলেছেন, এর পরেই আপনাদের একজনকে টাইম দেব।’

এরপর ফজলুর রহমান আবারও বক্তব্য শুরু করে যুদ্ধাপরাধীদের শোক প্রস্তাব ও ইনডেমনিটি ইস্যুতে কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘১৯৭১ সনের ১৪ ডিসেম্বরকে পালন করা হয় শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। সেই মুনীর চৌধুরী, আব্দুল আলীম চৌধুরী, শহীদুল্লাহ কায়সার থেকে নিয়ে শত শত বুদ্ধিজীবীকে যারা হত্যা করেছিল তাদেরকে বলা হয় আল-বদর। আমি খুব দুর্ভাগা, এই হাউজে প্রস্তাব হয়েছে, তাদের ব্যাপারেও শোক প্রস্তাব হয়েছে। আমি একা হলেও এটা প্রতিবাদ করতাম। ইতিহাসে ভুল বার্তা যাবে যদি আমরা যুদ্ধাপরাধীর ব্যাপারে শোক প্রস্তাব নিই।’

তিনি আরও বলেন, ‘আরেকটা কথা, পুলিশের ব্যাপারে যে ইনডেমনিটি দেওয়া হয়েছে। ৫ আগস্টের পরে যে থানা লুট হয়েছে, পুলিশ হত্যা হয়েছে, তারা তো তখন যুদ্ধ করেনি, তারা তো নিরপরাধ। এত অস্ত্র গেল কোথায়? ৫ আগস্টের পরে যে ঘটনাগুলো হয়েছে সেগুলো তো কোনো আইনে ইনডেমনিটি পাওয়ার কথা নয়। সেটার জন্য তদন্ত হওয়া উচিত।

দয়া করে শেয়ার করুন


Deprecated: File Theme without comments.php is deprecated since version 3.0.0 with no alternative available. Please include a comments.php template in your theme. in /home/bogurapo/public_html/wp-includes/functions.php on line 6260

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2024 by Bogurapost
Theme Customized By BreakingNews