1. admin@bogurapost.com : admin :
বগুড়ার বুজর্গধামা স্কুলের গাছ থেকে আম পারায় ৩ শিক্ষার্থীকে জুতার মালা পরানোয় শিক্ষিকাকে শোকজ - BoguraPost
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৫৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
দেশকে অস্থিতিশীল করার বিরুদ্ধে বগুড়ায় ১৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির মিছিল ও সমাবেশ বগুড়ায় রাস্তায় বাইক রাখায় সাবেক পুলিশ কর্মকর্তাকে ৩ হাজার টাকা জরিমানা এমপি গাজী নজরুল ফের ৪ দিনের রিমান্ডে বগুড়ায় জেলা জজের পুনঃপদায়ন বাতিলের দাবিতে দ্বিতীয় দিনেও আদালত বর্জন বগুড়ায় ‘নতুন কুঁড়ি গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট’ এর ৭ম ম্যাচ অনুষ্ঠিত গুলশানে আওয়ামী লীগের মিছিল, ওসির পর সরানো হলো ডিসিকেও আওয়ামী লীগ পালানোর মতো জায়গা পেলেও বিএনপি পালানোর জায়গাও পাবে না, বগুড়ায় নাযেবে আমীর  বগুড়ায় ৫৩ তম জাতীয় ক্রীড়া সমিতির ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরুস্কার বিতরণ বগুড়ায় মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের ঠনঠনিয়া শাখার নবনির্বাচিত কমিটির অভিষেক ১২ নভেম্বর থেকে শুরু স্থানীয় সরকার নির্বাচন: ইসি

বগুড়ার বুজর্গধামা স্কুলের গাছ থেকে আম পারায় ৩ শিক্ষার্থীকে জুতার মালা পরানোয় শিক্ষিকাকে শোকজ

  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬
  • ২৫১ বার

নিজস্ব প্রতিবেদক 

বগুড়া সদর উপজেলার বুজর্গধামা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তিন শিশু শিক্ষার্থীকে গাছ থেকে আম পেড়ে খাওয়ার অপরাধে বেত্রাঘাত ও গলায় জুতার মালা পরিয়ে ‘আমচোর’ লিখে ক্লাসে ক্লাসে ঘোরানোর ঘটনায় অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষিকা গোল শাহানারার বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণ শুরু হয়েছে। তীব্র সমালোচনার মুখে অভিযুক্ত ওই শিক্ষিকা ক্ষমা চাইলেও তাকে শোকজ করা হয়েছে।

এদিকে গতকাল সোমবার বিকেলে জলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রেজোয়ান হোসেন সদর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা গোলাম কবীরকে বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে মতামতসহ তিনদিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা বলেছেন।

জানা গেছে, সদর উপজেলার বুজর্গধামা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে থাকা আমগাছ থেকে গত ২৮ এপ্রিল মঙ্গলবার কয়েকজন শিক্ষার্থী আম পেড়ে খায়। এ ঘটনায় পরদিন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা গোল শাহানারা বেগম ওই তিন শিক্ষার্থীকে ডেকে নেন। তিনি তাদের প্রত্যেককে বেত্রাঘাত করেন এবং পরে পায়ের স্যান্ডেল খুলে গলায় মালার মতো পরিয়ে “আমচোর” লিখে বিভিন্ন শ্রেণিকক্ষে ঘোরান।

পরবর্তীতে ঘটনাটি অভিভাবকদের মাধ্যমে এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে ফুঁসে ওঠে এলাকাবাসী। ব্যাপক ক্ষোভ ও তোপের মুখে গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে প্রধান শিক্ষিকা তার আচরণের জন্য শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকাবাসীর কাছে ক্ষমা চান। তবে ক্ষমা প্রার্থনার পরও ঘটনাটি নিয়ে অসন্তোষ রয়ে গেছে স্থানীয়দের মধ্যে। তারা এ ধরনের আচরণের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

তবে কোমলমতি শিশুদের ওপর এমন বর্বরোচিত মানসিক ও শারীরিক নির্যাতনের ঘটনায় শুধু ক্ষমা চেয়েই শেষ রক্ষা হয়নি তার। ৩ মে (রোববার) সদর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা গোলাম কবীর অভিযুক্ত শিক্ষিকাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) প্রদান করেন। সর্বশেষ গতকাল ৪ মে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রেজোয়ান হোসেন সদর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত করতে নির্দেশ দিয়েছেন।

সদর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা গোলাম কবীরকে আগামী তিন কর্ম দিনের মধ্যে সরেজমিনে তদন্ত করে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রেজোয়ান হোসেন জানান, তদন্তে ঘটনার সত্যতা উঠে আসার সঙ্গে সঙ্গে দোষের প্রকৃতির ওপর বিবেচনা করে প্রধান শিক্ষিকাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হতে পারে। একই সঙ্গে সরকারি কর্মচারী বিধিমালা অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে একটি নিয়মিত বিভাগীয় মামলা দায়েরও করা হতে পারে।

 

দয়া করে শেয়ার করুন


Deprecated: File Theme without comments.php is deprecated since version 3.0.0 with no alternative available. Please include a comments.php template in your theme. in /home/bogurapo/public_html/wp-includes/functions.php on line 6260

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2024 by Bogurapost
Theme Customized By BreakingNews