নিজস্ব প্রতিবেদক
বগুড়া শহরের মালতিনগর ১১ নং ওয়ার্ডের যুবদলের সদস্য ও ব্যবসায়ী মো: হাবিবুর রহমান খোকন হত্যাকান্ডে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার ও বিচারের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসুচি পালন করেছে। বুধবার দুপুরে খোকনের এলাকাবাসী শহরের সাতমাথায় মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন নিহত খোকনের স্ত্রী, শিশু কণ্যা, যুবদল নেতা শাকিলসহ এলাকাবাসী। বক্তারা বলেন, আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে খোকন হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের গ্রেফতার না করলে কঠোর কঅমসুচি পালন করা হবে।
উল্লেখ, ব্যবসায়ী হাবিবুর রহমান খোকনকে দুবৃত্তরা হত্যা পালিয়ে যায়। এহত্যাকাণ্ডের ৪দিন পর শুক্রবার রাতেমামলা দায়ের হয়েছে। এ মামলায় মোট ২৫জনকে আসামি করা হয়েছে । এদের মধ্যে ১৭জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। আর বাকি ৮জন অজ্ঞাতনামা।
মামলার উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন মুন্না, ছামিউল, রকি, সিয়াম, সাগর, ধলা, মেহেদী, কাকন, মহিন, শাহিন, শাওন ও রাফিদ। এদের বাড়ি শহরের সেউজগাড়ী, কৈচর এলাকার বাসিন্দা।
এর আগে, গত সোমবার (২৭ অক্টোবর) রাত আনুমানিক ৮টার দিকে খোকন ও তার বন্ধু বাধন মোটরসাইকেলে করে সাবেক ছাত্রদল নেতা পাভেলকে দেখতে সেউজগাড়ী পালপাড়া এলাকায় যাচ্ছিলেন। এ সময় সন্ত্রাসীদের একটি দল তাদের ঘিরে ফেলে। মুহূর্তের মধ্যে রামদা ও হাসুয়া দিয়ে তাদের ওপর এলোপাতাড়ি কোপানো হয়। মাথা, হাত, পা, শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে খোকন রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে হামলাকারীরা দ্রুত স্থান ত্যাগ করে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে খোকন ও বাধনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক খোকনকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত হাবিবুর রহমান খোকন মালতিনগর দক্ষিণপাড়া এলাকার আবুল কালাম আজাদের ছেলে। তিনি পেশায় রেন্ট-এ-কার ব্যবসায়ী ছিলেন এবং বগুড়া পৌরসভার ১১নং ওয়ার্ড যুবদলের একজন সক্রিয় সদস্য ছিলেন।
বগুড়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান বাসির বলেন, খোকন হত্যাকাণ্ডে মামলা গ্রহণ করা হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে।
Leave a Reply