নিজস্ব প্রতিবেদক
বগুড়ার ধুনটের গোসাইবাড়ী মহিলা কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় ৪ জন অংশ গ্রহন করে কেউ পাস করতে পারেনি। খাতা কলমে ছাত্রী থাকলেও ভবন নেই, ক্লাস হয়না ২৫ বছর এমনি ভাবে চলছে এ কলেজ। বৃহস্পতিবার এইচএসসির ফলাফল প্রকাশিত হলে কলেজের শিক্ষার্থীদের এফ ফলাফল দেখা গেছে।
সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, বগুড়া জেলার ধুনট গোসাইবাড়ী মহিলা কলেজে ভবন নেই। ১৯৯৯ সালে কলেজ প্রতিষ্ঠা হলেও ২০০১ সাল থেকে ছাত্রী ভর্তির অনুমতি পেয়েছিল। তবে কলেজে সেই শিক্ষক এবং কর্মচারীদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দেখা যায় না। মাঝে মাঝে সরকারী ভাতা এলেও সেই টাকার ভাগ নেন তিনি। যাদের ভর্তি দেখানো হয় তারা অন্য প্রতিষ্ঠানে ক্লাস করে।। ২৫ বছর হলো সেখানে শিক্ষা কার্যক্রম চলে না। খাতা কলমে শিক্ষার্থী থাকলেও ক্লাস হয় না।
কলেজের সচিব মহব্বত আলী জানান, কতজন ভর্তি হয়েছে এবং পাশ করেছে তা অধ্যক্ষ জানায়নি। সব কিছু তার হেফাজতে থাকে। তবে অধ্ষক্ষ যাদের গোপনে ভর্তি করান সেই ছাত্রীরা অন্য কলেজে পড়ালেখা করে। শিক্ষক নিয়োগ দিয়েছেন যাদের তারাও ছাত্রী না থাকায় কলেজে আসেনা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন প্রভাষক জানান, এই জাহাঙ্গীর আলম অধ্যক্ষ হওয়ার পর কাকে কোন পদে নিয়োগ দেন কেউ যানেনা। কলেজে ছাত্রী আসে না। কি করবো কলেজে গিয়ে।
ওই কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ বেলাল হোসেন বলেন, আওয়ামী লীগের সময়ে আমাকে বাদ দিয়ে জাহাঙ্গীর আলম নামের একজনকে অধ্যক্ষ করার পর থেকে কলেজের করুন অবস্থা। এখানে আর কেউ ক্লাস নিতেও আসেনা। ছাত্রীরাও আসেনা।
বর্তমান অধ্যক্ষ জাহাঙ্গীর আলম বলেছেন, চারজন পরীক্ষার্থীর কেউ পাশ করেনি। নিউজটা করবেন না। দেখা করবো।
Leave a Reply