নিজস্ব প্রতিবেদক
বগুড়ার কাহালুতে ১২৫ বছর বয়সের বৃদ্ধ মকবুল হোসেন ইন্তেকাল করেছেন। ইন্না লিল্লাহি,,,,,,,,, রাজিউন। শনিবার বেলা ১১ টার দিকে তিনি নিজ বাসভবন কাহালু উপজেলার বীরকেদার ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ড ছাতুয়ার পাড়া গ্রামে বাধর্ক্য জনিত কারণে ইন্তেকাল করেন।
নিহত মকবুল হোসেনের ছেলে মেয়ে ১০ জন । তাদের সন্তানাদি অর্ধশতাধিক জন।
বাদ আছর মরহুমের জানাজা নামাজ শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।
বৃদ্ধ মকবুল হোসেন বয়সের ভারে চলতে ফিরতে না পারলেও তার স্মৃতি শক্তিতে নাড়া দিত দীর্ঘ জীবনের নানা ঘটনা। কিন্তু বিধি বাম। বয়সের ভারে বৃদ্ধ মকবুল হোসেন বাকরুদ্ধ হয়ে নিজ বাড়িতে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে হেরে গেলেন।
পারিবারিক ও গ্রামবাসী সূত্রে জানা গেছে, বৃদ্ধ মকবুল হোসেন আনুমানিক ১৯০০ সালের দিকে বগুড়ার কাহালু উপজেলার বীরকেদার ইউনিয়নের ছাতুয়ার পাড়া গ্রামের মৃত তসরতুল্লার ঘরে জন্ম গ্রহন করেন।
লেখা পড়ার হাতে খড়ি মক্তবে হলেও লেখা পড়া ছেড়ে তিনি তার বাবার সাথে সাংসারিক কৃষি কাজে জড়িয়ে পড়েন। বৈবাহিক জীবনে তার দশ সন্তান জন্ম নিলেও ৩ সন্তান আগেই মৃত্যু বরন করেছেন।
প্রায় ৩৫ বছর আগে স্ত্রী তসিরুন বেওয়া মৃত্যু বরন করায় তার নাতনি মাজেদা বেগম লতা (৩৫) বৃদ্ধ দাদা মকবুল হোসেন কে দেখা শোনা করতেন।
দুই সপ্তাহ আগে তিনি শারীরিক ভাবে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে খাওয়া দাওয়া ও কথা বলা বন্ধ হয়ে যায়। শনিবার বেলা ১১ টায় তিনি ইন্তেকাল করেন।
বৃদ্ধ মকবুল হোসেনের ছোট ছেলে বীরকেদার ইউপির সাবেক সদস্য মোঃ মোখলেছার রহমান ভুলু জানান, আমার পিতার বর্তমান বয়স প্রায় ১২৫ বছর। আমরা দশ ভাই বোন। আমার মা আগেই মৃত্যু বরন করেছেন। ভাই বোনের সন্তানাদি প্রায় অর্ধশতাধিক। বাবা মকবুল হোসেন শনিবার সকাল ১১ টার দিকে ইন্তেকাল করেছেন। আমি সকলের নিকট দোয়া প্রার্থী। জানাজা নামাজে ইউপি সদস্য সাঈদী সরকার, মাও আব্দুল বারী, স্বপন মল্লিক সহ সর্বস্তরের ধর্মপ্রাণ মুসল্লীগন শরিক হন।
বীরকেদার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সেলিম উদ্দিন জানান, ১২৫ বছর বয়সের মানুষ আমার ইউনিয়নে কেউ বেঁচে নেই। আমার জানা মতে কোথাও এত বয়সের মানুষ আছে জানা নেই। নিহত মকবুল হোসেন ছিলেন আমরা জানা এবং দেখামতে সবচেয়ে বয়স্ক মুরুব্বি। আল্লাহ তায়ালা ওনাকে জান্নাতুল ফেরদৌসের মেহমান করুন।
Leave a Reply