1. admin@bogurapost.com : admin :
খালেদা জিয়া নেই, বাবার বাড়ির দরজায় স্মৃতি হয়ে দাঁড়িয়ে সেই নিম গাছ - BoguraPost
রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ০১:০৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বগুড়ায় ৪০০ একর জমিতে নতুন বিসিক শিল্পপার্ক স্থাপন করা হবে : বাণিজ্যমন্ত্রী বগুড়ায় শ্রমিকদলের বহিস্কৃত নেতা লিটন শেখ বাঘার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ ভিন্নমতকে সম্মান করাই গণতন্ত্রের অন্যতম ভিত্তি: মির্জা ফখরুল বগুড়ায় বাসচাপায় ৭ দিনমজুর নিহতের ঘটনায় তদন্ত কমিটি বগুড়া কানছগাড়ি বণিক সমিতির সভাপতি সেলিম সম্পাদক রকি নির্বাচিত চা শিল্পের সমস্যা সমাধানে সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর বগুড়া সিটি করপোরেশনের প্রথম ১৪১৭ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা জাতীয় সংসদে বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় বিল অনুমোদন: বগুড়া জেলা ছাত্রদলের আনন্দ মিছিল মামলাজট নিরসনে মধ্যস্থতা কার্যক্রম আশাব্যঞ্জক ফল দিচ্ছে : আইনমন্ত্রী বগুড়ায় ৭ দিনব্যাপী বৃক্ষরোপন অভিযান ও বৃক্ষ মেলা শুরু

খালেদা জিয়া নেই, বাবার বাড়ির দরজায় স্মৃতি হয়ে দাঁড়িয়ে সেই নিম গাছ

  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৯৫ বার

ফেনী প্রতিনিধি

বেগম খালেদা জিয়া আজ ইহলোকে নেই, কিন্তু তার স্মৃতি চিহ্ন হয়ে আজও দাঁড়িয়ে আছে ফেনীর পৈতৃক বাড়ির দরজায় তার নিজ হাতে রোপণ করা সেই নিম গাছটি।

বেগম খালেদা জিয়া আজ ইহলোকে নেই, কিন্তু তার স্মৃতি চিহ্ন হয়ে আজও দাঁড়িয়ে আছে ফেনীর পৈতৃক বাড়ির দরজায় তার নিজ হাতে রোপণ করা সেই নিম গাছটি।
জানা গেছে, ২০০৮ সালে বেগম খালেদা জিয়া যখন ফেনীর ফুলগাজী উপজেলার শ্রীপুর গ্রামের মজুমদার বাড়িতে আসেন, তখন বাড়ির দরজায় দক্ষিণ শ্রীপুর দিঘির পাড়ে তিনি নিজ হাতে এই নিম গাছটি রোপণ করেছিলেন। পরম যত্নে বড় হওয়া সেই গাছটির গোড়ায় বেগম খালেদা জিয়ার নাম টাইলস দিয়ে লিখে রাখা হয়েছে।

এই বাড়িতে বেগম খালেদা জিয়ার অসংখ্য স্মৃতি মিশে আছে। ঘরের ভেতরে তার বিশ্রাম নেয়ার সেই ছোট্ট খাটটি, বসার চেয়ার কিংবা খাবারের টেবিল- সবকিছুতেই যেন লেগে আছে তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রীর হাতের ছোঁয়া।

স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে স্থানীয়রা জানান, সবশেষ ২০০৮ সালেও ফুলগাজীতে পৈতৃক বাড়িতে এসে দাদা সালামত আলী মজুমদারের কবর জিয়ারত করে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেছিলেন তিনি। প্রিয় নেত্রীর মৃত্যুর খবরে আজ সেই বাড়িতেই নেমে এসেছে রাজ্যের নীরবতা। কান্নায় ভেঙে পড়েছেন তার পরিবারের সদস্য ও স্বজনরা।

বেগম জিয়ার চাচাতো ভাই শামীম হোসেন মজুমদার বলেন, বাড়িতে আসলে তিনি বড়দের যেমন শ্রদ্ধা করতেন, ছোটদেরও তেমনি অনেক আদর করতেন। তাকে হারিয়ে দেশ ও জাতির অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে গেছে, যা কখনো পূরণ হওয়ার নয়।

নিজ পৈতৃক নিবাস ফুলগাজীতে জনসাধারণের কল্যাণে বেগম জিয়া নির্মাণ করেছেন মসজিদ, মাদরাসা, স্কুল-কলেজসহ বহু স্থাপনা। তার মৃত্যুতে আজ ফুলগাজীসহ পুরো ফেনী জেলায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

খালেদা জিয়ার পারিবারিক নাম ছিল খালেদা খানম পুতুল। ১৯৪৫ সালের ১৫ আগস্ট দিনাজপুরে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তিন বোন এবং দুই ভাইয়ের মধ্যে তিনি ছিলেন তৃতীয়। তার দাদা হাজী সালামত আলী এবং বাবা ইস্কান্দার মজুমদার। মা বেগম তৈয়বা মজুমদারের পৈতৃক নিবাস জলপাইগুড়িতে হলেও খালেদা জিয়ার আদি পৈতৃক নিবাস ফেনী জেলার ফুলগাজী উপজেলার শ্রীপুর গ্রামের এই মজুমদার বাড়ি।

বেগম জিয়া দিনাজপুর মিশন স্কুলে শিক্ষা জীবন শুরু করেন এবং ১৯৬০ সালে দিনাজপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ম্যাট্রিকুলেশন পাস করেন। একই বছর তিনি জিয়াউর রহমানের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। বিয়ের পর স্বামীর সঙ্গে পশ্চিম পাকিস্তানে বসবাসের আগে ১৯৬৫ সাল পর্যন্ত তিনি দিনাজপুরের সুরেন্দ্রনাথ কলেজে পড়াশোনা করেন।

উল্লেখ্য, বেগম খালেদা জিয়া ফেনী-১ আসন থেকে চারবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে দেশের প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও এই আসন থেকে ২৯ ডিসেম্বর সোমবার তার পক্ষে মনোনয়নপত্র দাখিল করা হয়েছিল।

 

দয়া করে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2024 by Bogurapost
Theme Customized By BreakingNews