নিজস্ব প্রতিবেদক
বগুড়া জেলা তথ্য অফিসের আয়োজনে এবং ইউনিসেফ এর সহযোগিতায় জরায়ুমুখ ক্যান্সার প্রতিরোধে সচেতনতা এবং জরায়ুমুখ ক্যান্সার প্রতিরোধী এইচপিভি টিকাদান কর্মসূচি উপলক্ষে বুধবার সকালে পিটিআই সভাকক্ষে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয় ।
অবহিতকরণ সভায় সিনিয়র তথ্য অফিসার মুহা: মাহফুজার রহমানের সভাপতিত্বে অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বগুড়া সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ শফিউল আজম।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো: হযরত আলী , পিটিআই সুপারিনটেনডেন্ট, আফরোজা সুলতানা, সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার , ডা: সাজ্জাদ-উল-হক।
সভায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এবং জনবসতি এলাকায় এইচপিভি টিকাদান কার্যক্রম সম্পর্কে প্রচারাভিযান এবং টিকারে জিস্ট্রেশন জোরদার করার জন্য জেলার জেলার ১২টি উপজেলা থেকে আগত স্কাউট , গার্লস ইন স্কাউট সদস্য ও রেডক্রিসেন্ট প্রতিনিধিদের অরিয়েন্টেশন দেয়া হয়। প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে জরায়ুমুখ ক্যান্সারের কারণ, লক্ষণ এবং প্রতিকারে এইচপিভি টিকা গ্রহণের গুরুত্ব উল্লেখ করে বক্তব্য রাখেন। সাধারণত নারীরা যে সকল ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে থাকেন বৈশ্বিক ভাবে তন্মধ্যে জরায়ুমুখ ক্যান্সার চর্তুথ সর্বোচ্চ। প্রতিবছর বিশ্বের ছয় লক্ষাধিক নারী জরায়ুমুখ ক্যান্সারে আক্রান্ত হন। যার মধ্যে প্রায় তিন লক্ষ বিয়াল্লিশ হাজার জন মৃত্যুবরণ করে থাকেন। এর প্রায় ৯০% মৃত্যুই বাংলাদেশের মত উন্নয়নশীল বা স্বল্পোন্নত দেশে ঘটে থাকে।
বাংলাদেশী নারীদের ক্ষেত্রে জরায়ুমুখ ক্যান্সার দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। প্রতি বছর বাংলাদেশে প্রায় পাঁচ হাজার নারী মৃত্যুবরণ করেন জরায়ুমুখ ক্যান্সারে। জরায়ুমুখ ক্যান্সার প্রতিরোধের ওপর গুরুত্ব আরোপ করে বাংলাদেশ সরকার সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচিতে এইচপিভি টিকা সংযোজন করেছে। আগামী ২৪ অক্টোবর ২৪ তারিখ হতে জেলায় বিভিন্ন স্কুলে এবং এলাকায় ইপিআই কর্তৃক ১০ থেকে ১৪ বছর বয়সী কিশোরীদের
বিনামূল্যে জরায়ুমুখ ক্যান্সার প্রতিরোধী এইচপিভি টিকাদান কর্মসূচি শুরু হতে যাচ্ছে। ঢাকা বিভাগ ব্যতীত সাতটি বিভাগের বিভিন্ন জেলায় এইচপিভি টিকাদান কর্মসূচি চলবে।
Leave a Reply