1. admin@bogurapost.com : admin :
বগুড়া শহরের সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা, জনদুর্ভোগ - BoguraPost
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:১৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
দেশকে অস্থিতিশীল করার বিরুদ্ধে বগুড়ায় ১৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির মিছিল ও সমাবেশ বগুড়ায় রাস্তায় বাইক রাখায় সাবেক পুলিশ কর্মকর্তাকে ৩ হাজার টাকা জরিমানা এমপি গাজী নজরুল ফের ৪ দিনের রিমান্ডে বগুড়ায় জেলা জজের পুনঃপদায়ন বাতিলের দাবিতে দ্বিতীয় দিনেও আদালত বর্জন বগুড়ায় ‘নতুন কুঁড়ি গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট’ এর ৭ম ম্যাচ অনুষ্ঠিত গুলশানে আওয়ামী লীগের মিছিল, ওসির পর সরানো হলো ডিসিকেও আওয়ামী লীগ পালানোর মতো জায়গা পেলেও বিএনপি পালানোর জায়গাও পাবে না, বগুড়ায় নাযেবে আমীর  বগুড়ায় ৫৩ তম জাতীয় ক্রীড়া সমিতির ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরুস্কার বিতরণ বগুড়ায় মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের ঠনঠনিয়া শাখার নবনির্বাচিত কমিটির অভিষেক ১২ নভেম্বর থেকে শুরু স্থানীয় সরকার নির্বাচন: ইসি

বগুড়া শহরের সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা, জনদুর্ভোগ

  • আপডেট সময় : বুধবার, ২২ মে, ২০২৪
  • ২৯৬ বার
নিজস্ব প্রতিবেদক
বগুড়ায় সামান্য বৃষ্টিতেই বিভিন্নস্থানে জলাবদ্ধতায় জন দুর্ভোগ। এ জলাবদ্ধতায় শহরের অভিজাত সড়কগুলোতে দুপুর পর্যন্ত পানি দেখা দেখা গেছে। এসময় এসব সড়ক দিয়ে যান ও মানুষের চলাচল করতে ভুগান্তির শিকার হতে হয়েছে। এ বৃষ্টিতে পৌর এলাকার ড্রেনেস ব্যবস্থা ভালো না থাকায় অনেক বাসা বাড়িতে পানি ঢুকেছে।  পৌর সভার ড্রেনেজ ব্যবস্থা ভালো না হওয়ায় এমন জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে বলে মনে করছেন সুধীজন । বুধবার সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ৮০ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। যা এই মৌসুমের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাতের রেকর্ড।  এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বগুড়া আবহাওয়া অফিসের উচ্চ পর্যবেক্ষক শাহ আলম।

বগুড়ায় বুধবার ভোর থেকে বৃষ্টি শুরু হয়। এই বৃষ্টিতে  শহরের প্রাণকেন্দ্র সাতমাথাকেন্দ্রিক এবং অনেক পাড়ার সড়কগুলোতে জলাবদ্ধতা তৈরী হয় । শহরের সাতমাথা থেকে কবি নজরুল ইসলাম সড়ক, শেরপুর সড়ক, স্টেশন সড়ক, পার্ক রোড, বাদুড়তলা, প্রেসপট্টি, বড়গোলা, শেরপুর সড়কের কলোনী বাজার এলাকায়, খান্দার সড়ক, গালাপট্রি সড়ক, টেম্পল সড়ক ছাড়াও কাঠালতলা ফতেহ আলী বাজার সড়ক, নওয়াববাড়ি সড়ক, কাটনারপাড়া সড়কে ছিল হাঁটুপানি। এসব সড়কের দুই পাশের নালার ময়লা-আবর্জনায় ভরা নোংরা পানি উপচে পড়ে সড়কে। সড়ক ছাপিয়ে সেই পানির ঢুকে পড়ে বাসাবাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানেও। পরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় শহরের এমন বেহাল দশা। বৃষ্টি পানি ড্রেন দিয়ে সঠিকভাবে প্রচাহিত হয় না। তাছাড়া বৃষ্টির সময় পথচারীসহ যানবাহন চলাচলে কষ্ট হয়ে পড়ে। ভারী বর্ষণের সময় শহরজুড়ে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। এই জলাবদ্ধতায় দুর্ভোগে পড়তে হয় বিভিন্ন যানবাহনের চালক, শিক্ষার্থীসহ পথচারীদের।

শহরের দক্ষিণ কাটনারপাড়ার মুক্তার হোসেন জানান, বাসায় পানি প্রবেশ করে রুমে ঢুকেছে। ছেলে মেয়েদের বই,কাপড়সহ বেশ কিছু ভিজে গেছে।
হকার্স মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আলহাজ্ব রফিকুল ইসলাম জানান, ষ্টেশন রোডে পানি জমে যাওয়ার কারণে হকার্স মার্কেটে পানি নামতে না পারায় বেশ কয়েকটি দোকানে পানি ঢুকে পন্য নষ্ট হয়ে গেছে। এতে করে ওই ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
রিক্সা চালক শহিদুল ইসলাম জানান, বুধবার দুপুরেও শহরের টিনপট্টিতে একহাটু পানি। ওই পানির মধ্যে রিকশা নিয়ে আসায় মোটরের পানি প্রবেশ করেছে। এতে মোটরের সমস্যা হবে।
শহরের প্রেসপট্টির এলাকার মো. হারুন জানান, বুধবার সকালের বৃষ্টির পানি ছাপাখানার ভিতরে চলে এসেছিল। এ জন্য রাতে ছাপার কাজ সকালে বন্ধ করে দিতে হয়। দুপুর থেকে কাজ শুরু করা হয়েছে।
বড়গোলার বাসিন্দা আব্দুস সালাম জানান, পৌর সভার অনেক ড্রেন অপরিস্কারে ভরে গেছে। সেকারণে ড্রেন দিয়ে পানি দ্রুত নিষ্কাশন হয় না। আবার যে ড্রেন আছে তা আকারে প্রয়োজনের তুলনায় অনেক ছোট। সেকারণে বৃষ্টির পানি হলে দ্রুত নিস্কাশন না হওয়ায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হচ্ছে।

বগুড়া আবহাওয়া অফিসের উচ্চ পর্যবেক্ষক শাহ আলম জানান, বগুড়ায় বুধবার  সকাল ৬টা থেকে ১২টা পর্যন্ত ৬ ঘন্টায় ৮০মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে। যা এই মৌসুমের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাতের রেকর্ড। গত বছর ১২ মে জেলায় সর্বোচ্চ ৫১ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছিল।
তিনি আরও জানান, বৃষ্টির কারণে বগুড়ায় তাপমাত্রা কমেছে। ফলে ভ্যাপসা গরম দূর হয়েছে। আজ জেলায়  সর্বনিম্ন  ২৩ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।এই মাসের বাকি দিনগুলোতে বগুড়ায় বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
আবহাওয়া অধিদফতরের হিসাব অনুযায়ী, ২৪ ঘণ্টায় ১১ থেকে ২২ মিলিমিটার বৃষ্টি হলো মাঝারি ধরনের বৃষ্টি। মাঝারি ধরনের ভারী বৃষ্টি বলতে বোঝায় ২৩ থেকে ৪২ মিলিমিটার। ভারী বৃষ্টি হলো ৪৪ থেকে ৮৮ মিলিমিটার। আর বৃষ্টি যদি ৮৮ মিলিমিটারের বেশি হয়, তবে তা অতি ভারী বৃষ্টি হিসেবে গণ্য হয়।

বগুড়া পৌর মেয়র রেজাউল করিম বাদশা জানান, পৌর এলাকার অনেক ড্রেনে সমস্যা আছে এবং যেসব ড্রেনেস ব্যবস্থা আছে তা পরিকল্পিত না হওয়ার কারণে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়ে থাকে। পৌরসভার ড্রেনগুলো প্রস্থ করা জরুরি। কিন্তু বাজেট সীমিত পাওয়ার কারণে কাজ করা সম্ভব হয় না। যেসব ড্রেন আছে তার অর্ধেক ভাঙা, সেগুলো আমরা পর্যায়ক্রমে মেরামত ও পরিস্কার করছি ।

দয়া করে শেয়ার করুন


Deprecated: File Theme without comments.php is deprecated since version 3.0.0 with no alternative available. Please include a comments.php template in your theme. in /home/bogurapo/public_html/wp-includes/functions.php on line 6260

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2024 by Bogurapost
Theme Customized By BreakingNews